জমেনি মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প, দুঃশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

চলছে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি। বিভিন্ন ছুটিতে মৌলভীবাজারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। স্থানীয়দের দেখা গেলেও বাহির থেকে পর্যটক কম এসেছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর ছুটি কম ও সারাদেশে হামের সংক্রমণ থাকায় পর্যটকেরা কম এসেছেন। আশানুরূপ পর্যটক না আসায় ব্যবসায়ীরা দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ বা যে কোনো ছুটিতে মৌলভীবাজারে পর্যটকের ভিড় থাকে। বিশেষ করে দুই ঈদের ছুটিতে রিসোর্ট বা হোটেলেগুলো আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন পর্যটকরা। তবে এ বছর আগাম বুকিংয়ের সংখ্যা অনেকটা কম ছিল। যদিও শেষ সময়ে আশানুরূপ পর্যটক আসার সম্ভাবনা থাকলেও বিভিন্ন কারণে কম এসেছেন পর্যটক। ট্রেনের টিকিট সংকট, ঈদের ছুটি কম ও হামের প্রভাব থাকায় পর্যটক কম এসেছে। সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও চা বাগান ঘুরে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহারের ছুটিতে পর্যটক অনেক কম এসেছে। বিকেলে কিছু স্থানীয় পর্যটক দেখা গেলেও দূরদূরান্ত থেকে কম এসেছে। পর্যটক কম আসায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। ঘুরতে আসা আবিদ হাসান, জমশেদ মিয়া বলেন, মৌলভীবাজারে অনেকবার এসে

জমেনি মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প, দুঃশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

চলছে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি। বিভিন্ন ছুটিতে মৌলভীবাজারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। স্থানীয়দের দেখা গেলেও বাহির থেকে পর্যটক কম এসেছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর ছুটি কম ও সারাদেশে হামের সংক্রমণ থাকায় পর্যটকেরা কম এসেছেন। আশানুরূপ পর্যটক না আসায় ব্যবসায়ীরা দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ বা যে কোনো ছুটিতে মৌলভীবাজারে পর্যটকের ভিড় থাকে। বিশেষ করে দুই ঈদের ছুটিতে রিসোর্ট বা হোটেলেগুলো আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন পর্যটকরা। তবে এ বছর আগাম বুকিংয়ের সংখ্যা অনেকটা কম ছিল। যদিও শেষ সময়ে আশানুরূপ পর্যটক আসার সম্ভাবনা থাকলেও বিভিন্ন কারণে কম এসেছেন পর্যটক। ট্রেনের টিকিট সংকট, ঈদের ছুটি কম ও হামের প্রভাব থাকায় পর্যটক কম এসেছে।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও চা বাগান ঘুরে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহারের ছুটিতে পর্যটক অনেক কম এসেছে। বিকেলে কিছু স্থানীয় পর্যটক দেখা গেলেও দূরদূরান্ত থেকে কম এসেছে। পর্যটক কম আসায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।

জমেনি মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প, দুঃশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

ঘুরতে আসা আবিদ হাসান, জমশেদ মিয়া বলেন, মৌলভীবাজারে অনেকবার এসেছি। এ জেলায় কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক ছোট-বড় অনেক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে অসংখ্য চা বাগান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। এসব দেখার জন্য অন্যান্য সময় পর্যটকের ভিড় থাকলেও এবার ফাঁকা।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাবেক সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমেদ বলেন, হামের প্রভাব ও ঈদের পর ছুটি কম থাকায় জেলায় পর্যটক কম এসেছে। আগাম বুকিং কম হয়েছে রিসোর্ট গুলোতে। আবার অনেক বুকিং শেষ সময়ে বাতিল হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন এজন্য কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এবছর অন্যান্য সময়ের চেয়ে পর্যটক কম এসেছে।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমা বলেন, ঈদের ছুটিতে জেলায় আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট ও জেলা পুলিশ কাজ করছে।

মাহিদুল ইসলাম/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow