জমে উঠছে পশুর হাট, চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠতে শুরু করেছে মাগুরা সদর উপজেলা রামনগর পশুর হাট। এবার কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় ছোট জাতের দেশি গরুর সরবরাহ বেশি বলছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে হাটে এবার বড় গরুর থেকে চাহিদা বেশি মাঝারি ও ছোট গরুর। শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে দেখা যায় হাটে জেলায় ছোট-বড় খামার থেকে গবাদি পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা। তবে এখনও কেনাবেচার হিড়িক চোখে পড়েনি, ক্রেতার তুলনায় পশু বেশি লক্ষণীয়। অনেকেই হাটে এসেছে পশু দেখছেন আর দরদাম করছেন। মাগুরা জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্র বলছেন, জেলা কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৫ হাজার ৫০৮টি। সেখানে জেলা উৎপাদন হয়েছে ৭৬ হাজার ৯৭৩টি। জেলা খামারির সংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৩টি। সেখানে বাড়তি ১৪ হাজার কোরবানির পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে সরবরাহ করা হবে। বিক্রেতারা মোহন বিশ্বাস বলেন, রামনগর হাটে ক্রেতার থেকে গরুর বেশি। এখনও আমরা লসে আছি, গরু বিক্রি শুরু হয়নি। শেষ সময় বেচা বিক্রি ভালো হবে এমন প্রত্যাশা করছি। খামারি রহমান মিয়া বলেন, অনেক যত্নে লালন-পালন করা গবাদি পশু ৫টি নিয়ে আসছিলাম, ১টি বিক্রি করেছি। গরুটি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছ
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠতে শুরু করেছে মাগুরা সদর উপজেলা রামনগর পশুর হাট। এবার কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় ছোট জাতের দেশি গরুর সরবরাহ বেশি বলছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে হাটে এবার বড় গরুর থেকে চাহিদা বেশি মাঝারি ও ছোট গরুর।
শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে দেখা যায় হাটে জেলায় ছোট-বড় খামার থেকে গবাদি পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা।
তবে এখনও কেনাবেচার হিড়িক চোখে পড়েনি, ক্রেতার তুলনায় পশু বেশি লক্ষণীয়। অনেকেই হাটে এসেছে পশু দেখছেন আর দরদাম করছেন।
মাগুরা জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্র বলছেন, জেলা কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৫ হাজার ৫০৮টি। সেখানে জেলা উৎপাদন হয়েছে ৭৬ হাজার ৯৭৩টি। জেলা খামারির সংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৩টি। সেখানে বাড়তি ১৪ হাজার কোরবানির পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে সরবরাহ করা হবে।
বিক্রেতারা মোহন বিশ্বাস বলেন, রামনগর হাটে ক্রেতার থেকে গরুর বেশি। এখনও আমরা লসে আছি, গরু বিক্রি শুরু হয়নি। শেষ সময় বেচা বিক্রি ভালো হবে এমন প্রত্যাশা করছি।
খামারি রহমান মিয়া বলেন, অনেক যত্নে লালন-পালন করা গবাদি পশু ৫টি নিয়ে আসছিলাম, ১টি বিক্রি করেছি। গরুটি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি ক্রেতাদের মধ্যে।
ক্রেতা মো. সোহান খান বলেন, হাটে ঘুরে ঘুরে পশু দেখছি, আর দরদাম করছি। পছন্দ হলে কিনে নিয়ে যাবো। তবে কোরবানির পশুর হাটে বড় গরুর থেকে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।
পশুর হাট ইজারাদার মো. দুলাল হোসেন বলেন, মাগুরা রামনগর পশুহাট বিখ্যাত নামের তালিকায় উঠেছে। আমরা চেষ্টা করছি হাটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য আমরা তৎপর আছি।
মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?