জর্ডান জনতার গোয়েন্দা তথ্যে আকাবা বন্দরে দুই মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত
জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এতে আকাবা বন্দরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের C-17 পরিবহন বিমান এবং P-8 কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ বিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে আইআরজিসি। আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২১তম ধাপের এই হামলা জর্ডানের কিছু নাগরিকের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। তাদের সরবরাহ করা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এর আগে আল-আজরাক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান করা ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংস এবং ডজনখানেক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দখলদার মার্কিন সেনাবাহিনী গত কয়েক দশকে ১০টিরও বেশি ইসলামি দেশে হামলা চালিয়েছে, লাখো মুসলিমকে হত্যা করেছে। গাজায় ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা ও পশ্চিম তীর ধ্বংসযজ্ঞে শিশু হত্যাকারী জায়নবাদী শাসনের প্রধান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী তারা ‘মাহদুর আল-দাম’ (যাদের হত্যা করা বৈধ) এবং বিশ্বের যেখানেই সুযোগ পাবে, প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এসব হত্যাকারীকে হত্যা করা। জর্ডানের জনগণকে আবারও ধন্যবাদ জানিয়ে আইআরজিসি দাবি করে, তাদের সহযোগিতা একটি ধর্মীয় দায়
জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এতে আকাবা বন্দরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের C-17 পরিবহন বিমান এবং P-8 কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ বিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে আইআরজিসি।
আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২১তম ধাপের এই হামলা জর্ডানের কিছু নাগরিকের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। তাদের সরবরাহ করা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এর আগে আল-আজরাক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান করা ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংস এবং ডজনখানেক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দখলদার মার্কিন সেনাবাহিনী গত কয়েক দশকে ১০টিরও বেশি ইসলামি দেশে হামলা চালিয়েছে, লাখো মুসলিমকে হত্যা করেছে। গাজায় ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা ও পশ্চিম তীর ধ্বংসযজ্ঞে শিশু হত্যাকারী জায়নবাদী শাসনের প্রধান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী তারা ‘মাহদুর আল-দাম’ (যাদের হত্যা করা বৈধ) এবং বিশ্বের যেখানেই সুযোগ পাবে, প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এসব হত্যাকারীকে হত্যা করা।
জর্ডানের জনগণকে আবারও ধন্যবাদ জানিয়ে আইআরজিসি দাবি করে, তাদের সহযোগিতা একটি ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করেছে এবং আল-কুদস (জেরুজালেম) মুক্তির পথ সুগম করতে সহায়তা করেছে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি
কেএম
What's Your Reaction?