জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামের ১৭ স্লুইস গেটের কাজ সম্পন্ন
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় অনেক এলাকা। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেওয়া প্রকল্পে বড় অগ্রগতি এসেছে। প্রকল্পের অধীনে ২১টি স্লুইস গেটের মধ্যে ১৭টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের এক জরুরি সভায় এ তথ্য জানান সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সেনাবাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক সুফল পাওয়া যাচ্ছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ড্রেন ও খালে প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেললে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় খাল খনন, পলি অপসারণ এবং রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে স্লুইস গেটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাকি ৪টি গেটের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে চলমান ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলমগ্নতা/জলাবদ্ধতা নিরস
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় অনেক এলাকা। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেওয়া প্রকল্পে বড় অগ্রগতি এসেছে। প্রকল্পের অধীনে ২১টি স্লুইস গেটের মধ্যে ১৭টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের এক জরুরি সভায় এ তথ্য জানান সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন।
শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সেনাবাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক সুফল পাওয়া যাচ্ছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ড্রেন ও খালে প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেললে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়, যা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় খাল খনন, পলি অপসারণ এবং রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে স্লুইস গেটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাকি ৪টি গেটের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে চলমান ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলমগ্নতা/জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ নামের চলমান প্রকল্পটিতে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিমসহ সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?