জলাবদ্ধ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখার নির্দেশ চট্টগ্রামে

লঘুচাপজনিত অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। একইসঙ্গে যেসব বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্র চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে। বুধবার (০৮ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ ও চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে আবশ্যিকভাবে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখতে হবে। ইতিমধ্যে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পুরো সময়জুড়েই শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এতে আরও বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। নির্দেশনাটি চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তাদের আওত

জলাবদ্ধ বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখার নির্দেশ চট্টগ্রামে
লঘুচাপজনিত অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। একইসঙ্গে যেসব বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্র চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে। বুধবার (০৮ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ ও চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে আবশ্যিকভাবে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখতে হবে। ইতিমধ্যে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পুরো সময়জুড়েই শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এতে আরও বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। নির্দেশনাটি চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তাদের আওতাধীন সব উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow