জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদত্যাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহিমুল্লাহ শেখ জিসান পদত্যাগ করেছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) জাকসুর সভাপতি বরাবর লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে মাহিমুল্লাহ শেখ জিসান উল্লেখ করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা প্যানেলের অংশ না হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর স্বার্থ ও প্রত্যাশাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তবে দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে তার সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় না করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ ও প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা তিনি পাননি বলে অভিযোগ করেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি একটি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক নির্বাচন ও অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন ক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহিমুল্লাহ শেখ জিসান পদত্যাগ করেছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) জাকসুর সভাপতি বরাবর লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে মাহিমুল্লাহ শেখ জিসান উল্লেখ করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা প্যানেলের অংশ না হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর স্বার্থ ও প্রত্যাশাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তবে দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে তার সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় না করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ ও প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা তিনি পাননি বলে অভিযোগ করেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি একটি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক নির্বাচন ও অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠান চলাকালে প্রশাসন ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করতে বাধ্য করা হয়, যা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। এ ঘটনার পর তাকে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের জন্যও চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, একজন নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক স্বার্থের প্রভাবে কাজ করতে পারেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের নীতি, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার সঙ্গে আপস করে এই পদে থাকা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তিনি সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শেষে তিনি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাকসুর সভাপতির প্রতি অনুরোধ জানান।