জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ভূমিকম্প-অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনায় এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। ভূমিকম্প-পরবর্তী দুর্যোগ এবং তাতে অনুসন্ধান, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিষয়ক এই মহড়া বাস্তবায়ন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। মহড়ায় উঁচু মইয়ের গাড়ির সাহায্যে বহুতল ভবনে অগ্নিনির্বাপণ এবং আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার কৌশল; রোপ স্লাইডিং, রোপ র‌্যাপলিং, রোপ ডিসেন্ডিং ও জাম্পিং অন এয়ার প্যাকে লাফিয়ে পড়ার মাধ্যমে আত্মরক্ষার কৌশল; বিধ্বস্ত ভবনে সার্চ করার মাধ্যমে ভিকটিম লোকেট করা এবং প্রবেশপথ তৈরি করে ভিকটিম উদ্ধার করা, প্রাথমিক শুশ্রূষা প্রদান, গুরুতর আহতদের হাসপাতালে পরিবহন ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মহড়া পরি

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ভূমিকম্প-অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত
জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনায় এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। ভূমিকম্প-পরবর্তী দুর্যোগ এবং তাতে অনুসন্ধান, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিষয়ক এই মহড়া বাস্তবায়ন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। মহড়ায় উঁচু মইয়ের গাড়ির সাহায্যে বহুতল ভবনে অগ্নিনির্বাপণ এবং আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার কৌশল; রোপ স্লাইডিং, রোপ র‌্যাপলিং, রোপ ডিসেন্ডিং ও জাম্পিং অন এয়ার প্যাকে লাফিয়ে পড়ার মাধ্যমে আত্মরক্ষার কৌশল; বিধ্বস্ত ভবনে সার্চ করার মাধ্যমে ভিকটিম লোকেট করা এবং প্রবেশপথ তৈরি করে ভিকটিম উদ্ধার করা, প্রাথমিক শুশ্রূষা প্রদান, গুরুতর আহতদের হাসপাতালে পরিবহন ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মহড়া পরিচালনা করেন জোন কমান্ডার তানহারুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন জোন কমান্ডার ফয়সালুর রহমান ও অন্যরা। বিপুল সংখ্যক ভলান্টিয়ারও এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। মহড়ায় পর্যবেক্ষক ছিলেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) একেএম শামসুজ্জোহা। মহড়ায় প্রথমবারের মতো ফায়ার সার্ভিসের কমিউনিকেশন ভলান্টিয়ার ইউনিট ভ্রাম্যমাণ কমিউনিকেশন স্থাপন করে এবং পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তসহ নেপালের সাথেও যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম হয়। মহড়া শেষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow