জাপানকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

প্রথমার্ধে ব্রাজিল ছিল অনেকটাই ছন্নছাড়া। গোলও হজম করে জাপানের কাছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায় অন্য এক ব্রাজিলকে। জাপানকে পাত্তাই দেয়নি এবার। শেষ পর্যন্ত দাপুটে খেলেই জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। এই জয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। বিদায় হয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপানের। প্রথমার্ধে জাপানের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ফলও পেয়েছে। কাসেমিরোর হেডে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ২৯তম মিনিটে মিডফিল্ডে দানিলোর ভুল পাস কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন সানো। কাসেমিরোকে সহজেই পেছনে ফেলে বল নিয়ে বক্সের বাইরে প্রায় ২০ গজ বল দূর থেকে জোরালো শটে গোলরক্ষক আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি। সেটিই ছিল জাপানের একমাত্র অন-টার্গেট শট, কিন্তু সেটাই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়। প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও তাদের পারফরম্যান্স ছিল নিষ্প্রভ। বিশেষ করে মধ্যমাঠে জাপানের আধিপত্যের কাছে বারবার চাপে পড়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ব্রাজিলের দুটি অন-টার্গ

জাপানকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

প্রথমার্ধে ব্রাজিল ছিল অনেকটাই ছন্নছাড়া। গোলও হজম করে জাপানের কাছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায় অন্য এক ব্রাজিলকে। জাপানকে পাত্তাই দেয়নি এবার। শেষ পর্যন্ত দাপুটে খেলেই জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল।

এই জয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। বিদায় হয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপানের।

প্রথমার্ধে জাপানের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ফলও পেয়েছে। কাসেমিরোর হেডে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ২৯তম মিনিটে মিডফিল্ডে দানিলোর ভুল পাস কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন সানো। কাসেমিরোকে সহজেই পেছনে ফেলে বল নিয়ে বক্সের বাইরে প্রায় ২০ গজ বল দূর থেকে জোরালো শটে গোলরক্ষক আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি। সেটিই ছিল জাপানের একমাত্র অন-টার্গেট শট, কিন্তু সেটাই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।

প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও তাদের পারফরম্যান্স ছিল নিষ্প্রভ। বিশেষ করে মধ্যমাঠে জাপানের আধিপত্যের কাছে বারবার চাপে পড়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

ব্রাজিলের দুটি অন-টার্গেট শটই সহজেই রুখে দেন জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি। অন্যদিকে, জাপান তাদের একমাত্র সুযোগটি নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায়।

জাপানের প্রথম গোলের সময় আংশিকভাবে দায়ী ছিলেন কাসেমিরো। কয়েক মিনিট আগেই সহজ একটি সুযোগও হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। তবে এবার আর কোনো ভুল করেননি ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার।

৫৬ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলের দারুণ সুবিধা নিয়ে ফাঁকা পোস্টে শক্তিশালী হেডে জাল কাঁপান কাসেমিরো। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ এই গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ব্রাজিল (১-১)।

চার মিনিট পর এগিয়ে যেতে পারতো ব্রাজিল। কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফেরত আসে। এরপর একের পর এক আক্রমণ করেই গেছে ব্রাজিল। জাপান ভাগ্যের জোরে বেঁচে যাচ্ছিল।

নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয়ে যায় ১-১ সমতায়। শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমে এসে ভাগ্য খোলে ব্রাজিলের।

ব্রুনো গুইমারেস দারুণ এক পাস বাড়িয়ে দেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির পায়ে। চারপাশে জাপানের কয়েকজন ডিফেন্ডার থাকলেও, মার্টিনেল্লির প্রথম টাচই তাকে শট নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। এরপর তিনি বলটি অসাধারণভাবে বাঁকিয়ে জাপানের গোলরক্ষক জিয়ন সুজোকির নাগালের বাইরে পাঠিয়ে জালে জড়িয়ে দেন (২-১)।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow