জাবির সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর-সংক্রান্ত নথিপত্র জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। আবেদনটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আবেদনে বলা হয়, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি স্বামী, সন্তানসহ ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে নিয়োগ-বাণিজ্য করে বিপুল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। আরও পড়ুনইউনিপে টু বাংলাদেশের পরিচালক তাহেরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পাশাপাশি তার স্বামী মো. আখতার হোসেনও একজন করদাতা। দুদকের ধারণা, তাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গোপন করা হয়ে থাকতে পারে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান নিশ্চিত করতে ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী

জাবির সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের আয়কর-সংক্রান্ত নথিপত্র জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। আবেদনটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম।

আবেদনে বলা হয়, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি স্বামী, সন্তানসহ ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে নিয়োগ-বাণিজ্য করে বিপুল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন
ইউনিপে টু বাংলাদেশের পরিচালক তাহেরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ
১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পাশাপাশি তার স্বামী মো. আখতার হোসেনও একজন করদাতা। দুদকের ধারণা, তাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গোপন করা হয়ে থাকতে পারে।

এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান নিশ্চিত করতে ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামীর নামে থাকা আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশ জব্দ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদক জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমডিএএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow