জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, দুই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক
দীর্ঘ ১৯ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে অবরোধের মুখে পড়ে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করলে দুপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে দাপুনিয়া, জঙ্গলপাড়া, দড়িপাড়া, পূর্ব ফুলবাড়ীয়া, শাহাপুর ও বিসিক এলাকার বাসিন্দারা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। দুপুর ১টার দিকে অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকার হাজারও একর ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা এলেই পানি জমে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ ও দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। এলাকাবাসীর পক্ষে মো. সাব্বির রহমান বলেন, ‘১৯ বছর ধরে আমরা জলাবদ্ধতার যন্ত্রণা
দীর্ঘ ১৯ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে অবরোধের মুখে পড়ে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করলে দুপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে দাপুনিয়া, জঙ্গলপাড়া, দড়িপাড়া, পূর্ব ফুলবাড়ীয়া, শাহাপুর ও বিসিক এলাকার বাসিন্দারা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। দুপুর ১টার দিকে অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
অবরোধের কারণে মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
অবরোধকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকার হাজারও একর ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা এলেই পানি জমে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ ও দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
এলাকাবাসীর পক্ষে মো. সাব্বির রহমান বলেন, ‘১৯ বছর ধরে আমরা জলাবদ্ধতার যন্ত্রণা ভোগ করছি। বৃষ্টির সময় ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে, ফসল নষ্ট হয়। বহুবার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই আমরা সড়কে নেমেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘জলাবদ্ধতার কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম কষ্টে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’
বাসচালক আনিস মিয়া বলেন, ‘সড়ক অবরোধের কারণে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে। আমাদের গাড়িটি আবার ঢাকায় ফিরে গিয়ে ঈদের অগ্রিম টিকিটের যাত্রী নিয়ে আসার কথা। কিন্তু এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকলে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন। দ্রুত সমস্যার সমাধান হওয়া দরকার।’
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসের যাত্রী রবিন মিয়া বলেন, ‘ঢাকা থেকে জামালপুরে আসার পথে হঠাৎ মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ি। প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে বসে থাকতে হয়েছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে এলাকাবাসীর সমস্যাটাও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হওয়া দরকার।’
জানতে চাইলে জামালপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে।’
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’
হৃদয় আহম্মেদ/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?