জাহাজ-লঞ্চে ঈদযাত্রায় বিশেষ ছাড়, এক শ্রেণির যাত্রী হলেই মিলবে সুবিধা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে দেশের সব নৌরুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ও বেতন সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষের প্রতি কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার সিরড্যাপ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুর রহমান তরফদার এবং প্রধান অতিথি ছিলেন আরিফুল হক চৌধুরী। সভায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, ঈদযাত্রায় শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা সহজ করতে দেশের সব রুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানো হবে। এ সময় শ্রমমন্ত্রী আগামী ২১ মের মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাসিক বেতন পরিশোধের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সড়কে অতিরিক্ত চাপ ও যানজট কমাতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে কারখানাগুলো ছুটি দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, সময়মতো বে

জাহাজ-লঞ্চে ঈদযাত্রায় বিশেষ ছাড়, এক শ্রেণির যাত্রী হলেই মিলবে সুবিধা
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে দেশের সব নৌরুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ও বেতন সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষের প্রতি কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার সিরড্যাপ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুর রহমান তরফদার এবং প্রধান অতিথি ছিলেন আরিফুল হক চৌধুরী। সভায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, ঈদযাত্রায় শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা সহজ করতে দেশের সব রুটে জাহাজ ও লঞ্চের ভাড়া ১০ শতাংশ কমানো হবে। এ সময় শ্রমমন্ত্রী আগামী ২১ মের মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাসিক বেতন পরিশোধের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শ্রমিকদের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সড়কে অতিরিক্ত চাপ ও যানজট কমাতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে কারখানাগুলো ছুটি দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি হবে না। তবে যেসব কারখানায় এখনো বকেয়া বেতন রয়েছে, সেখানে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা করার আহ্বানও জানান শ্রমিক প্রতিনিধিরা। সভায় আরও জানানো হয়, বেতন-বোনাস পরিশোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, ঈদকে ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ফজলে শামীম এহসান, আনোয়ার হোসাইনসহ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মালিক-শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow