জুন থেকে স্বাভাবিক হতে পারে হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচল : যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মে মাসের শেষ পর্যন্ত ব্যাপকভাবে ব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)। তবে জুন থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে বলে আশা করছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইআইএ জানায়, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরতে পারে। খবর শাফাক নিউজের। ইআইএ বলছে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এপ্রিল মাসে ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বন্ধ ছিল। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বৈশ্বিক তেলের মজুত দৈনিক গড়ে ৮৫ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে। এর ফলে মে ও জুন মাসজুড়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৬ ডলারের কাছাকাছি থাকতে পারে। এদিকে সংঘাতের প্রভাব ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। দেশটিতে পেট্রোলের দাম বেড়ে গ্যালনপ্রতি ৩ দশমিক ৮৮

জুন থেকে স্বাভাবিক হতে পারে হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচল : যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মে মাসের শেষ পর্যন্ত ব্যাপকভাবে ব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)। তবে জুন থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইআইএ জানায়, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরতে পারে।

খবর শাফাক নিউজের।

ইআইএ বলছে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এপ্রিল মাসে ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বন্ধ ছিল।

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বৈশ্বিক তেলের মজুত দৈনিক গড়ে ৮৫ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে। এর ফলে মে ও জুন মাসজুড়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৬ ডলারের কাছাকাছি থাকতে পারে।

এদিকে সংঘাতের প্রভাব ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। দেশটিতে পেট্রোলের দাম বেড়ে গ্যালনপ্রতি ৩ দশমিক ৮৮ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইআইএ।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow