‘জুলাই বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে স্বাস্থ্য পরিচালককে বের করে দিয়ে কক্ষে তালা
‘জুলাই বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনকে তার কক্ষ থেকে বের করে তালা দিয়েছেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (৫ জুলাই) ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ে অবস্থান করার পর তিনি বেরিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর জুলাই আন্দোলনকারী পরিচয় দিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে এসে পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। এ অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দপ্তরে আসেন এস এম মনিরুজ্জামান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ড্যাবের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিমসহ শিক্ষার্থীরা তার কক্ষে প্রবেশ করেন। তারা পরিচালককে কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু পরিচালক কক্ষ ত্যাগ করতে রাজি হননি। এ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে আরও শিক্
‘জুলাই বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনকে তার কক্ষ থেকে বের করে তালা দিয়েছেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (৫ জুলাই) ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। প্রায় এক ঘণ্টা কার্যালয়ে অবস্থান করার পর তিনি বেরিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর জুলাই আন্দোলনকারী পরিচয় দিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী সেখানে এসে পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।
এ অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দপ্তরে আসেন এস এম মনিরুজ্জামান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ড্যাবের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিমসহ শিক্ষার্থীরা তার কক্ষে প্রবেশ করেন। তারা পরিচালককে কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু পরিচালক কক্ষ ত্যাগ করতে রাজি হননি।
এ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে আরও শিক্ষার্থী সেখানে এলে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কক্ষ থেকে পরিচালককে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে নানাভাবে আমাদের পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়েছিলে। কিন্তু সেসময়ও সব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন মনিরুজ্জামান। এখনো আবার তারাই সব সুযোগ-সুবিধায় এগিয়ে রয়েছেন।’
মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী জোনায়েদ ইসলাম বললেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় মনিরুজ্জামান শাহীন আন্দোলনকারীদের তালিকা করে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দিয়েছিলেন। আহতদের চিকিৎসা পর্যন্ত হাসপাতালে দিতে দেননি হাসপাতালের তৎকালীন এই উপ-পরিচালক। এখন তিনি কীভাবে এত বড় পদে আসীন হলেন। আমরা ওনাকে বের করে কক্ষে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। জুলাই গাদ্দার কাউকে আর মাথায় তোলা যাবে না।’
জানতে চাইলে পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ছাত্রজীবনে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। বর্তমানে ড্যাবের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জুলাই আন্দোলনের সময় পরিচালকের নির্দেশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছি। এখন মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নেবে, তার অপেক্ষায় রয়েছি।’
শাওন খান/এসআর
What's Your Reaction?