‘জুলাই সনদ’ ইস্যুতে আজ উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ
মুলতবি শেষে পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকারের সভাপতিত্বে বসবে এ অধিবেশন। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ, খাদ্য, শ্রম ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্বের পাশাপাশি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনার কথা রয়েছে। তবে সব ছাপিয়ে আজ সংসদ অধিবেশনে মূল উত্তাপ ছড়াতে পারে বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন ইস্যুটি। গত ১ এপ্রিল নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ বিধি অনুযায়ী এই সনদ নিয়ে একটি মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাব উত্থাপনকালে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগ ও লড়াইয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের ফসল হিসেবে এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অর্জিত হয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল যেখানে সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন আইন সংস্কারের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা রয়েছে। স্পিকার প্রস্তাবটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করে কার্যপ্রণালি বিধির ৬৫ (২) বিধি অনুযায়ী আলোচনার অনুমতি দিয়েছেন এব
মুলতবি শেষে পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকারের সভাপতিত্বে বসবে এ অধিবেশন।
দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ, খাদ্য, শ্রম ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্বের পাশাপাশি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনার কথা রয়েছে।
তবে সব ছাপিয়ে আজ সংসদ অধিবেশনে মূল উত্তাপ ছড়াতে পারে বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন ইস্যুটি।
গত ১ এপ্রিল নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ বিধি অনুযায়ী এই সনদ নিয়ে একটি মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
প্রস্তাব উত্থাপনকালে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগ ও লড়াইয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের ফসল হিসেবে এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অর্জিত হয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল যেখানে সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন আইন সংস্কারের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা রয়েছে।
স্পিকার প্রস্তাবটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করে কার্যপ্রণালি বিধির ৬৫ (২) বিধি অনুযায়ী আলোচনার অনুমতি দিয়েছেন এবং দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসেবে এর ওপর অনধিক দুই ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করেছেন।
সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে বিতর্কের আবহ আগে থেকেই তৈরি হয়ে আছে। এর আগে গত ৩০ মার্চ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালও একই ইস্যুতে মুলতবি প্রস্তাব এনেছিলেন, যার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
অধিবেশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ। সংসদীয় বিশেষ কমিটি এরই মধ্যে গণভোট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, রাজস্ব নীতি এবং ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক সংশোধনের মতো ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদন না করার পক্ষে মত দিয়েছে।
একদিকে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী শিবিরের ভিন্ন অবস্থান, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন আটকে যাওয়া—সব মিলিয়ে আজকের অধিবেশন বেশ নাটকীয় ও উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
What's Your Reaction?