জেএমবি সন্দেহে এক শিশুকে হেফাজতে নিল সিটিটিসি

নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন নব্য জেএমবির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এক শিশুকে হেফাজতে নিয়েছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।  বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জ সদর থানার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে হেফাজতে নেয়। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতি। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া শিশু শেরে বাংলা নগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আহসান জহির খান, দানিয়েল ইসলাম হাসান ও রাসেল ওরফে পলাশ ওরফে আবু বাছের আল ফারুকীর সাথে যোগাযোগ রয়েছে মর্মে জানা যায়। সিটিটিসি সূত্রে আরও জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া শিশু অনলাইনে অত্যন্ত সক্রিয়। সে দাওলাতুল ইসলাম (আইএস) এর পক্ষে উগ্রবাদী পোস্ট শেয়ার করে সদস্য নিয়োগ করত। এছাড়া বোমা তৈরির পিডিএফ ফাইল শেয়ার করত এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পর

জেএমবি সন্দেহে এক শিশুকে হেফাজতে নিল সিটিটিসি
নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন নব্য জেএমবির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এক শিশুকে হেফাজতে নিয়েছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।  বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জ সদর থানার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে হেফাজতে নেয়। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতি। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া শিশু শেরে বাংলা নগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আহসান জহির খান, দানিয়েল ইসলাম হাসান ও রাসেল ওরফে পলাশ ওরফে আবু বাছের আল ফারুকীর সাথে যোগাযোগ রয়েছে মর্মে জানা যায়। সিটিটিসি সূত্রে আরও জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া শিশু অনলাইনে অত্যন্ত সক্রিয়। সে দাওলাতুল ইসলাম (আইএস) এর পক্ষে উগ্রবাদী পোস্ট শেয়ার করে সদস্য নিয়োগ করত। এছাড়া বোমা তৈরির পিডিএফ ফাইল শেয়ার করত এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দিত বলে জানা যায়। বিধি অনুযায়ী হেফাজতে নেওয়া শিশুকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow