জেনেভায় পরমাণু আলোচনা শেষ, নেই অগ্রগতি

জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু ইস্যু নিয়ে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলার পর শেষ হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে কোনো সমঝোতার ঘোষণা আসেনি বলে আন্তর্জাতিক ও ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সাংবাদিকদের বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান দিন কিংবা সপ্তাহ ধরে জেনেভায় থাকতে প্রস্তুত। তিনি জানান, পূর্ণ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারই ইরানের প্রধান অগ্রাধিকার। বাকায়ি বলেন, ইরান আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনা করছে এবং ওয়াশিংটনও একই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেখাবে বলে তারা আশা করছে। ওমানের মধ্যস্থতায় বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই আলোচনা হয়েছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি মাসকাটে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর স্থগিত থাকা সংলাপ আবার শুরু হয়। জেনেভার বৈঠক এমন সময় অনুষ্ঠিত হলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ফল পাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছেন। ইরান জানিয়েছে, আলোচনা শুধু পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা তারা মানবে না। অন্যদ

জেনেভায় পরমাণু আলোচনা শেষ, নেই অগ্রগতি

জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু ইস্যু নিয়ে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলার পর শেষ হয়েছে। তবে বৈঠক শেষে কোনো সমঝোতার ঘোষণা আসেনি বলে আন্তর্জাতিক ও ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সাংবাদিকদের বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান দিন কিংবা সপ্তাহ ধরে জেনেভায় থাকতে প্রস্তুত। তিনি জানান, পূর্ণ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারই ইরানের প্রধান অগ্রাধিকার।

বাকায়ি বলেন, ইরান আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনা করছে এবং ওয়াশিংটনও একই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেখাবে বলে তারা আশা করছে।

ওমানের মধ্যস্থতায় বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই আলোচনা হয়েছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি মাসকাটে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর স্থগিত থাকা সংলাপ আবার শুরু হয়। জেনেভার বৈঠক এমন সময় অনুষ্ঠিত হলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ফল পাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

ইরান জানিয়েছে, আলোচনা শুধু পরমাণু কর্মসূচি নিয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা তারা মানবে না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুতি ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করার মতো অতিরিক্ত শর্তের দাবি জানাচ্ছে। তবে ইরান বারবার এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow