জেলা-উপজেলায় হবে একটি করে মানসম্মত প্রতিবন্ধী স্কুল

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধীদের কর্মমুখী শিক্ষায় গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একটি করে গুণগতমানের প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে মোট ২ হাজার ৬০০টি প্রতিবন্ধী স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ৮৫টি নিবন্ধিত এবং ৭৫টি এমপিওভুক্ত। এছাড়া চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারাদেশের ১ হাজার ৭০০টি স্কুল পরিদর্শন করা হয়েছে। আমরা দেশের প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় একটি করে স্ট্যান্ডার্ড প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন নিয়ে কাজ করছি। প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক হিসাব মতে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছে। দেশে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধীদের সাপোর্ট করাসহ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট প্রতিবন্ধীদের জন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। আগামীতে এর কার্যক্রম বৃদ্ধি ক

জেলা-উপজেলায় হবে একটি করে মানসম্মত প্রতিবন্ধী স্কুল

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধীদের কর্মমুখী শিক্ষায় গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একটি করে গুণগতমানের প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে মোট ২ হাজার ৬০০টি প্রতিবন্ধী স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে ৮৫টি নিবন্ধিত এবং ৭৫টি এমপিওভুক্ত। এছাড়া চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারাদেশের ১ হাজার ৭০০টি স্কুল পরিদর্শন করা হয়েছে। আমরা দেশের প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় একটি করে স্ট্যান্ডার্ড প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন নিয়ে কাজ করছি।

প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক হিসাব মতে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছে। দেশে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধীদের সাপোর্ট করাসহ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট প্রতিবন্ধীদের জন্য এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। আগামীতে এর কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। সরকারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে উপকারভোগী হতে হলে কিছু মানদণ্ড রয়েছে। উপকারভোগীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে প্রথমে জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য কম্পিউটার যাচাই করে নির্ধারণ করবে কারা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন। আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুর নগরীসহ সারাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম চালু হবে।

তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি সেবা কার্যক্রমে এখন আর কোনো নগদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা নেই। সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের টাকাও উপকারভোগী সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচ্ছেন। মধ্যস্বত্বভোগী না থাকায় উপকারভোগীরা স্বস্তিতে রয়েছেন।

এসময় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা ও সদস্য লিটন পারভেজসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জিতু কবীর/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow