জেলি দিয়ে ভেজাল দুধ তৈরির অপরাধে ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জেলি ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে ফারুক হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও মেয়াদে শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার অষ্টমনিষ্যা ইউনিয়নের সিংগারি গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।  দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে গোপনে ভেজাল দুধ তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তার বাড়িতে ঝটিকা অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বিপুল ভেজাল দুধ তৈরির উপকরণ পাওয়া যায়। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে অভিযুক্তকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে জেলি দিয়ে কৃত্রিম দুধ তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত ২০০ লিটার জেলি জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা। জব্দ এই জেলি জনসম্মুখে ধ্বংস করার নির্দেশ দেন আদালত। অভিযা

জেলি দিয়ে ভেজাল দুধ তৈরির অপরাধে ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জেলি ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে ফারুক হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও মেয়াদে শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার অষ্টমনিষ্যা ইউনিয়নের সিংগারি গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে গোপনে ভেজাল দুধ তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তার বাড়িতে ঝটিকা অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বিপুল ভেজাল দুধ তৈরির উপকরণ পাওয়া যায়। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে অভিযুক্তকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানকালে জেলি দিয়ে কৃত্রিম দুধ তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত ২০০ লিটার জেলি জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা। জব্দ এই জেলি জনসম্মুখে ধ্বংস করার নির্দেশ দেন আদালত। অভিযানে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ এই ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে অভিযুক্তকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ জেলি ধ্বংস করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow