জেলের জালে ধরা পড়ল ২২ লাখ টাকার লাক্ষা মাছ
পিরোজপুরের জিয়ানগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির লাক্ষা মাছ। সাগর থেকে ধরা এই মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২২ লাখ টাকায়। সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ট্রলারে আনা মাছ পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে বালিপাড়া এলাকার জেলে দুলাল ফকিরের একটি বোটে ধরা পড়ে ৬১টি লাক্ষ্যা মাছ, যার মোট ওজন প্রায় ৭০০ কেজি। প্রতিটি মাছের গড় ওজন ছিল প্রায় ১২ কেজি। এসব মাছ প্রতি কেজি ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় শুধু এই চালান থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। একই সঙ্গে আরও প্রায় ৩৩০০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আনা হয়, যার বাজারদর প্রতি মণ ৬৫ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সব মিলিয়ে দুটি বোটের মাছ বিক্রি করে প্রায় ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আড়ত সংশ্লিষ্টরা। আড়তে আনা মাছের মধ্যে ৫০টি বড় আকারের মাছই বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকায়। এসব মাছের প্রধান ক্রেতা ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জাকির। আড়ত সূত্র জানায়, এই লাক্ষা মাছ দেশের বিভিন্ন বড় বাজারে পাঠানো হবে। বিশেষ করে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের ফিশারীঘাটে এসব মাছের বড় চাহিদা থাকায় সেখানে সরবরাহ করা হবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির লাক্ষা মাছ। সাগর থেকে ধরা এই মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২২ লাখ টাকায়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ট্রলারে আনা মাছ পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে বালিপাড়া এলাকার জেলে দুলাল ফকিরের একটি বোটে ধরা পড়ে ৬১টি লাক্ষ্যা মাছ, যার মোট ওজন প্রায় ৭০০ কেজি। প্রতিটি মাছের গড় ওজন ছিল প্রায় ১২ কেজি। এসব মাছ প্রতি কেজি ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় শুধু এই চালান থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে।
একই সঙ্গে আরও প্রায় ৩৩০০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আনা হয়, যার বাজারদর প্রতি মণ ৬৫ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সব মিলিয়ে দুটি বোটের মাছ বিক্রি করে প্রায় ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আড়ত সংশ্লিষ্টরা।
আড়তে আনা মাছের মধ্যে ৫০টি বড় আকারের মাছই বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকায়। এসব মাছের প্রধান ক্রেতা ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জাকির।
আড়ত সূত্র জানায়, এই লাক্ষা মাছ দেশের বিভিন্ন বড় বাজারে পাঠানো হবে। বিশেষ করে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের ফিশারীঘাটে এসব মাছের বড় চাহিদা থাকায় সেখানে সরবরাহ করা হবে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, দীর্ঘদিন মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকার পর ঝুঁকি নিয়ে সাগরে গিয়ে এমন বড় চালান পাওয়ায় তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।
এদিকে মৎস্যজীবী, ব্যবসায়ী ও বোট মালিকদের মধ্যে বিরল এই মাছ ধরা পড়ায় তাদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
What's Your Reaction?