জ্বালানি নিরাপত্তায় মন্ত্রিপরিষদ উপকমিটি গঠন 

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং এলপিজি ও এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়নে ৯ সদস্যের ‘জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিপরিষদ উপকমিটি’ গঠন করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত সোমবার (১ জুন) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব। এ কমিটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, এলপিজি আমদানি, ভোলা থেকে গ্যাস পরিবহন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এবং ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি ও এলপিজি টার্মিনাল স্থাপন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত পরীক্ষা করে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কমিটি। এছাড়া প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, বিশে

জ্বালানি নিরাপত্তায় মন্ত্রিপরিষদ উপকমিটি গঠন 

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং এলপিজি ও এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়নে ৯ সদস্যের ‘জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিপরিষদ উপকমিটি’ গঠন করেছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত সোমবার (১ জুন) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা; বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব।

এ কমিটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, এলপিজি আমদানি, ভোলা থেকে গ্যাস পরিবহন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এবং ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি ও এলপিজি টার্মিনাল স্থাপন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত পরীক্ষা করে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কমিটি।

এছাড়া প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, বিশেষজ্ঞ এবং বেসরকারি খাতের মতামত গ্রহণ করতে পারবে কমিটি। প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে এ কমিটিকে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

আরএমএম/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow