জয় পেয়েছে তিসজা পার্টি, পুতিন মিত্রের পরাজয় স্বীকার

হাঙ্গেরির সংসদ নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেছেন ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ভিক্টর অরবান। আংশিক সরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বিরোধী নেতা পিটার ম্যাগিয়ার–এর নেতৃত্বাধীন তিসজা পার্টি বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে। আল-জাজিজার তথ্য মতে, এই সংসদ নির্বাচনে ৭৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। প্রায় ৯৭.৩৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়- ১৯৯ আসনের মধ্যে ১৩৮টি তিসজা পার্টি (৫৩.৬ শতাংশ ভোট)। অন্যদিকে অরবানের দল ফিডেসজ পেয়েছে মাত্র ৫৫টি আসন (৩৭.৮ শতাংশ ভোট) ফল প্রকাশের পর ম্যাগিয়ার বলেন, আজ মিথ্যার ওপর সত্য জয়ী হয়েছে… আমরা ইতিহাস বদলে দিয়েছি। তিনি এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট’ হিসেবে উল্লেখ করে সব হাঙ্গেরিয়ানকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০০০-এর দশকের শুরু থেকে প্রায় ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা অরবান পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এটি কষ্টদায়ক কিন্তু স্পষ্ট ফলাফল… এখন আমরা বিরোধী দল হিসেবে দেশকে সেবা করব। বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল হাঙ্গেরির রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তিসজা পার্টি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনের সুযোগ পাবে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে হাঙ্গেরির সম্পর্

জয় পেয়েছে তিসজা পার্টি, পুতিন মিত্রের পরাজয় স্বীকার

হাঙ্গেরির সংসদ নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেছেন ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ভিক্টর অরবান। আংশিক সরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বিরোধী নেতা পিটার ম্যাগিয়ার–এর নেতৃত্বাধীন তিসজা পার্টি বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

আল-জাজিজার তথ্য মতে, এই সংসদ নির্বাচনে ৭৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। প্রায় ৯৭.৩৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়- ১৯৯ আসনের মধ্যে ১৩৮টি তিসজা পার্টি (৫৩.৬ শতাংশ ভোট)। অন্যদিকে অরবানের দল ফিডেসজ পেয়েছে মাত্র ৫৫টি আসন (৩৭.৮ শতাংশ ভোট)

ফল প্রকাশের পর ম্যাগিয়ার বলেন, আজ মিথ্যার ওপর সত্য জয়ী হয়েছে… আমরা ইতিহাস বদলে দিয়েছি। তিনি এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট’ হিসেবে উল্লেখ করে সব হাঙ্গেরিয়ানকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

২০০০-এর দশকের শুরু থেকে প্রায় ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা অরবান পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এটি কষ্টদায়ক কিন্তু স্পষ্ট ফলাফল… এখন আমরা বিরোধী দল হিসেবে দেশকে সেবা করব।

১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা পুতিনের মিত্র ভিক্টর অরবান

বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল হাঙ্গেরির রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তিসজা পার্টি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনের সুযোগ পাবে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে হাঙ্গেরির সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে এবং ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে।

অরবানের পরাজয় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপে তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হারালে তা ইউরোপসহ বিশ্ব রাজনীতিতে এর প্রভাব পড়বে।

সব মিলিয়ে, এই নির্বাচনের ফল হাঙ্গেরিকে নতুন রাজনৈতিক পথে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং ইউরোপীয় মূলধারায় ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখতে এই নির্বাচন বড় ভূমিকা রাখবে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow