ঝিনাইদহে বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যাক্তির নাম মোহন শেখ (৬৫)। তিনি প্রবীণ বিএনপি কর্মী। স্থানীয়রা জানান, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু জাহেদ চৌধুরীর সমর্থকদের সাথে শৈলকুপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাতের সমর্থকদের বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় যুবদল নেতা জাহেদের এক সমর্থককে মারধর করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাতের লোকজন। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহন শেখ (৬৫) নিহত হন। নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের লোকজন ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ১০ জন আহত হয়। এসময় গ্রামের কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ বলেন, ‘সাম

ঝিনাইদহে বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যাক্তির নাম মোহন শেখ (৬৫)। তিনি প্রবীণ বিএনপি কর্মী। স্থানীয়রা জানান, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু জাহেদ চৌধুরীর সমর্থকদের সাথে শৈলকুপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাতের সমর্থকদের বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় যুবদল নেতা জাহেদের এক সমর্থককে মারধর করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাতের লোকজন। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহন শেখ (৬৫) নিহত হন। নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের লোকজন ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ১০ জন আহত হয়। এসময় গ্রামের কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ বলেন, ‘সামাজিক আধিপত্য নিয়ে দুটি গ্রুপের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো। এটা দলীয় বা রাজনৈতিক কোনো গ্রুপিংয়ের সংঘর্ষ নয়। তবে যিনি নিহত হয়েছেন, তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত প্রবীণ কর্মী।’ শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন বলেন, ‘মোহন শেখ নামে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে পৌছানোর আগেই মারা গেছেন। আরও ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।’ শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, ‘ওই গ্রামের পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow