ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহীদ মিনারে ‘আলোর মিছিল’
ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘আলোর মিছিল’ কর্মসূচি পালন করেছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। বুধবার ( ২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় সংগীত শেষে মোমবাতি জ্বালানোর মুহূর্তে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়। এ সময় শিলাবৃষ্টি শুরু হলে সবাই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান। বৃষ্টি থামলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হল সংলগ্ন গণকবরে মোমবাতি প্রজ্বালন করে শ্রদ্ধা জানান তারা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ভয়াবহ গণহত্যার বিচার দাবিতে এবং শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে গণসংগীত, কবিতা পাঠ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও লাইভ পেইন্টিং আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলা, জগন্নাথ হল, শামসুন্নাহার হল, রোকেয়া হল, ফুলার রোড, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলসহ যেসব এলাকায় ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে গণহত্যা ঘটেছে, সেসব স্থানে কয়েকটি তথ্য বোর্ড ও শিল্পকর্ম স্থাপন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আলম। তিনি বলেন, আমরা একাত্তরকে ভুলতে বসেছি। অথচ বাঙালি জাতি যে আজকে এখানে
ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘আলোর মিছিল’ কর্মসূচি পালন করেছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন।
বুধবার ( ২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
জাতীয় সংগীত শেষে মোমবাতি জ্বালানোর মুহূর্তে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হয়। এ সময় শিলাবৃষ্টি শুরু হলে সবাই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যান। বৃষ্টি থামলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হল সংলগ্ন গণকবরে মোমবাতি প্রজ্বালন করে শ্রদ্ধা জানান তারা।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ভয়াবহ গণহত্যার বিচার দাবিতে এবং শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে গণসংগীত, কবিতা পাঠ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও লাইভ পেইন্টিং আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলা, জগন্নাথ হল, শামসুন্নাহার হল, রোকেয়া হল, ফুলার রোড, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলসহ যেসব এলাকায় ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে গণহত্যা ঘটেছে, সেসব স্থানে কয়েকটি তথ্য বোর্ড ও শিল্পকর্ম স্থাপন করা হয়।
কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আলম। তিনি বলেন, আমরা একাত্তরকে ভুলতে বসেছি। অথচ বাঙালি জাতি যে আজকে এখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ভূখণ্ড হয়েছে, একাত্তরে যদি মুক্তিযুদ্ধ না হতো, মুক্তিযোদ্ধারা যদি জীবন বাজি রেখে তাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ জীবন বিসর্জন, রক্ত বিসর্জন দিয়ে শহীদ না হয়ে এই দেশটাকে না আনতেন, তাহলে আজকে যারা উচ্চস্বরে বলছেন যে, ‘আমি অমুক আমি তমুক’—এটা কখনোই সম্ভব হত না। এই প্রেক্ষাপটই তৈরি হতো না।
তিনি বলেন, আজকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠী এসেছে। তারা বিভিন্ন সময় এ দেশ শাসন করেছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অনেকেই ধারণ করতে পারেননি। অনেকেই সেই মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দেওয়ার জন্য প্রতিপক্ষকে দাঁড় করিয়েছে, যেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, সরকার পতনে অনেকে ভূমিকা রাখছে, আমিও বলি যে, স্বৈরাচার নিপাত যাক। কিন্তু তাই বলে কি একাত্তরকে বিসর্জন দিতে হবে? একাত্তরে যারা স্বাধীনতাবিরোধী ছিল তাদের মসনদে বসাতে হবে? এটা কি আমাদের চাওয়া ছিল?
আলোর মিছিল কর্মসূচিতে উদীচী, ছায়ানট, ‘আমরা একাত্তর’-এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি সংগঠন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
What's Your Reaction?