টঙ্গীতে জোড় ইজতেমায় আরও ২ মুসল্লির মৃত্যু
গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে চলমান পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার তৃতীয় দিনে আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা হলেন সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার বাসিন্দা আবুল আসাদ বাদল (৬২)। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকার মইনইউদ্দিন (১০০)। রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে টঙ্গী ইজতেমা মাঠেই স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতদের একজন আবুল আসাদ বাদল (৬২)। তিনি সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল জহিরের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে দ্রুত টঙ্গী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে চলমান পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমায় আগত পাঁচজন মুসল্লি মারা গেছেন।
গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে চলমান পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমার তৃতীয় দিনে আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা হলেন সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার বাসিন্দা আবুল আসাদ বাদল (৬২)। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কোট্টাপাড়া এলাকার মইনইউদ্দিন (১০০)। রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে টঙ্গী ইজতেমা মাঠেই স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতদের একজন আবুল আসাদ বাদল (৬২)। তিনি সিলেট সদর উপজেলার ভার্থখোলা এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল জহিরের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে দ্রুত টঙ্গী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে চলমান পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমায় আগত পাঁচজন মুসল্লি মারা গেছেন।