টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী করার পরিকল্পনা প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা চান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পৌরসভার ক্লাব রোডে টাঙ্গাইল ক্লাবে কবিতা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই টাঙ্গাইল ঢাকার খুব কাছাকাছি জেলা। এক সময় এই জেলাকে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া নগরী বলা হতো। কিন্তু আমরা সেই অবস্থানের অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছি। সেটি আবার ফিরিয়ে আনতে সাহিত্যচর্চা বাড়িয়ে সবার সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের জন্য উপযুক্ত কাজের পরিবেশ তৈরি করা গেলে খুব দ্রুত টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য স্থানীয় ঐতিহ্য, লোকশিল্প ও আধুনিক সংস্কৃতির মেলবন্ধন অত্যন্ত জরুরি। টাঙ্গাইলকে কীভাবে আধুনিকভাবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলকে কিশোর গ্যাংমুক্ত রাখতে হবে। অতীতে টাঙ্গাইলকে ফ্যাসিবাদীরা সন্ত্রাসী নগরী হিসেবে গড়ে তুলেছিল—সেই

টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী করার পরিকল্পনা প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা চান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পৌরসভার ক্লাব রোডে টাঙ্গাইল ক্লাবে কবিতা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই টাঙ্গাইল ঢাকার খুব কাছাকাছি জেলা। এক সময় এই জেলাকে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া নগরী বলা হতো। কিন্তু আমরা সেই অবস্থানের অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছি। সেটি আবার ফিরিয়ে আনতে সাহিত্যচর্চা বাড়িয়ে সবার সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের জন্য উপযুক্ত কাজের পরিবেশ তৈরি করা গেলে খুব দ্রুত টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য স্থানীয় ঐতিহ্য, লোকশিল্প ও আধুনিক সংস্কৃতির মেলবন্ধন অত্যন্ত জরুরি।

টাঙ্গাইলকে কীভাবে আধুনিকভাবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলকে কিশোর গ্যাংমুক্ত রাখতে হবে। অতীতে টাঙ্গাইলকে ফ্যাসিবাদীরা সন্ত্রাসী নগরী হিসেবে গড়ে তুলেছিল—সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে—কোনোভাবেই কিশোর গ্যাং, মাদক ও চাঁদাবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। একার পক্ষে সব কাজ সম্ভব নয়, সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

কবিতা উৎসব অনুষ্ঠানে ৭০-এর দশকের অন্যতম কবি মাহমুদ কামালের সভাপতিত্বে উদ্বোধন করেন কবি বুলবুল খান মাহবুব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবি আজাদ কামাল, ড. ইউসুফ খান, কবি বাদলসহ জেলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow