টাঙ্গাইলে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ২ দালালকে কারাদণ্ড
টাঙ্গাইলে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ২ দালালকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজিবুল ইসলাম শুভর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মৃত কিতাব উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৫০) এবং খন্দকার ফায়েকুজ্জামানের ছেলে মহিউদ্দিন বিতাশ (৪৪)। আরও পড়ুন রিকশা গ্যারেজ মালিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজিবুল ইসলাম শুভ বলেন, বিভিন্নভাবে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। জনসাধারণের যাতে ঠিকমতো সেবা পায় এ লক্ষ্যে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে দুই দালাল ধরে প্রত্যেককে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা আবেদনপত্র সহায়তার নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতেন। বাংলাদেশে সরকারি ফ্রি ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজারের বাইরে দালালদের মাধ্যমে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে। গ্রামের মানুষের এতো টাকা দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিগত সময়গুলোতে পাসপোর্ট অফিসে বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য। যার কারণে বর্তমান সময়ে ভোগ
টাঙ্গাইলে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ২ দালালকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজিবুল ইসলাম শুভর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মৃত কিতাব উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৫০) এবং খন্দকার ফায়েকুজ্জামানের ছেলে মহিউদ্দিন বিতাশ (৪৪)।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজিবুল ইসলাম শুভ বলেন, বিভিন্নভাবে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। জনসাধারণের যাতে ঠিকমতো সেবা পায় এ লক্ষ্যে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে দুই দালাল ধরে প্রত্যেককে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা আবেদনপত্র সহায়তার নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতেন। বাংলাদেশে সরকারি ফ্রি ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজারের বাইরে দালালদের মাধ্যমে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে। গ্রামের মানুষের এতো টাকা দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিগত সময়গুলোতে পাসপোর্ট অফিসে বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য। যার কারণে বর্তমান সময়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষের।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?
