টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলে হেরোইন পাচারের দায়ে হোসেন আলী (৩৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর একজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত হোসেন আলীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান ওই রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. হোসেন আলী সখীপুর উপজেলার কাহারতা গ্রামের রামখাঁ’র ছেলে এবং পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে হিরু মিয়া ওরফে হায়দারকে (৫৫)। তিনি সখীপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে। টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, বিগত ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সখীপুরের কালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাছ থেকে হোসেন আলী ও হিরু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় হোসেন আলীর কাছ থেকে ৯০ গ্রাম এবং হিরু মিয়ার কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের অভিযানের সংবাদ পেয়ে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের আলহাজ মিয়া ও সুমী আক্তার পালিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরদিন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে সখীপুর থানায়
টাঙ্গাইলে হেরোইন পাচারের দায়ে হোসেন আলী (৩৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর একজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত হোসেন আলীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান ওই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. হোসেন আলী সখীপুর উপজেলার কাহারতা গ্রামের রামখাঁ’র ছেলে এবং পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে হিরু মিয়া ওরফে হায়দারকে (৫৫)। তিনি সখীপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, বিগত ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সখীপুরের কালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাছ থেকে হোসেন আলী ও হিরু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় হোসেন আলীর কাছ থেকে ৯০ গ্রাম এবং হিরু মিয়ার কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের অভিযানের সংবাদ পেয়ে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের আলহাজ মিয়া ও সুমী আক্তার পালিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরদিন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে সখীপুর থানায় ওই দুইজনকে অভিযুক্ত করে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।
তিনি জানান, বিগত ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ৯ ব্যক্তি সাক্ষ্য দেন। যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামি হোসেন আলী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাতক রয়েছেন। দণ্ডিত হিরু মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
What's Your Reaction?