টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপ শেষ আফগানিস্তানের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই টানা হার মানে আফগানিস্তান। এরপরই গ্রুপ পর্ব  থেকে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের বিদায়। তবে পরের দুই ম্যাচেই টানা জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচেও আজ কানাডাকে ৮২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাট হাতে ইবরাহিম জাদরানের হার না মানা ৯৫ রানের ইনিংসের পর মোহাম্মদ নবীর ঘূর্ণি জাদুতে চড়ে হেসেখেলে জিতেছে আফগানরা। ফলে শেষ দুই ম্যাচে টানা জয় নিয়েই এবারের বিশ্বকাপ শেষ হল আফগানিস্তানের।  চেন্নাইয়ের চিপকের মা চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় কানাডা। দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং ইবরাহিম জাদরানের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় আফগানিস্তান। শুরু থেকেই চালিয়ে খেলেছেন দুজন। ওপেনিং জুটিতে এসেছে ৪৭ রান। ২০ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন গুরবাজ। একই ওভারে বিদায় নেন তিনে নামা গুলবাদিন নাইবও। ২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান তোলে আফগানিস্তান। এরপর ক্রিজে জুটি বাঁধেন টিকে থাকা ওপেনার ইবরাহিম জাদরান এবং চারে নামা সেদিকউল্লাহ আতাল।

টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপ শেষ আফগানিস্তানের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই টানা হার মানে আফগানিস্তান। এরপরই গ্রুপ পর্ব  থেকে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের বিদায়। তবে পরের দুই ম্যাচেই টানা জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচেও আজ কানাডাকে ৮২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাট হাতে ইবরাহিম জাদরানের হার না মানা ৯৫ রানের ইনিংসের পর মোহাম্মদ নবীর ঘূর্ণি জাদুতে চড়ে হেসেখেলে জিতেছে আফগানরা। ফলে শেষ দুই ম্যাচে টানা জয় নিয়েই এবারের বিশ্বকাপ শেষ হল আফগানিস্তানের।  চেন্নাইয়ের চিপকের মা চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় কানাডা। দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং ইবরাহিম জাদরানের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় আফগানিস্তান। শুরু থেকেই চালিয়ে খেলেছেন দুজন। ওপেনিং জুটিতে এসেছে ৪৭ রান। ২০ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন গুরবাজ। একই ওভারে বিদায় নেন তিনে নামা গুলবাদিন নাইবও। ২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান তোলে আফগানিস্তান। এরপর ক্রিজে জুটি বাঁধেন টিকে থাকা ওপেনার ইবরাহিম জাদরান এবং চারে নামা সেদিকউল্লাহ আতাল। সময়ের সাথে সাথে ক্রিজে জমে যান দুজন। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন। দলের বোর্ডে রান তুলেছেন, নিজেরাও ছুটেছেন ফিফটির দিকে। ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন ইবরাহিম। কাছাকাছি গিয়ে থেমেছেন আতাল। ৩২ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলের ১৪৪ রানের মাথাতে বিদায় নেন আতাল। ইবরাহিমের উইলোবাজি চলছিলই। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে কানাডার বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানাচ্ছিলেন ইবরাহিম। আপন গতিতে ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। শেষ দিকে নেমে ৭ বলে ১৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪ বলে ৪ রান করে টিকে ছিলেন ডারউইশ রাসুলি। কানাডার বোলারদের কচুকাটা করে ২০০ ছুঁয়ে থেমেছে আফগানিস্তান। ইবরাহিম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও সেঞ্চুরিটা ছুঁতে পারেননি। ৫৬ বলে ৯৫ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে টিকে ছিলেন ইবরাহিম। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় আফগানিস্তান। কানাডার হয়ে ৩ উইকেট নেন জাসকারান সিং। ১ উইকেট তুলেছেন ডিলন হেয়লিগার। জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের বোলিং তোপে চাপে ছিল কানাডা। ওপেনিং জুটি থেমেছে ২৫ রানে। ওপেনার দিলপ্রিত বাজওয়া ৭ বলে ১৩ রান করে বিদায় নেন, তাকে ফিরিয়েছেন মুজিব উর রহমান। পরের ওভারে ডাক মেরে ফিরেছেন নাভনীত ঢালিওয়াল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটায় রানের খাতা খুলতে পারলেন না তিনি। পাওয়ারপ্লের মধ্যে ১৪ বলে ১৭ রান করা যুবরাজ সামরাকেও হারিয়ে ফেলে কানাডা। ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান তুলেছে কানাডিয়ানরা। পাওয়ারপ্লের পরেও নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারিয়েছে কানাডা। সুবিধা করতে পারেননি তেমন কেউই। মাঝে লড়াই চালিয়েছেন হার্শ ঠাকের। ২৪ বলে ৩০ রান করেছেন তিনি। শেষ দিকে ২৬ বলে ২৮ রান করেছেন সাদ বিন জাফর। একের পর এক উইকেটের পতনে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় কানাডা। শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১৮ রান তুলে। আফগানিস্তান পেয়েছে ৮২ রানের বড় জয়। এবারের বিশ্বকাপে আফগানদের দ্বিতীয় জয়। যদিও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই।  আফগানদের হয়ে মাত্র ৭ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ নবী। ২ উইকেট তোলেন রশিদ খান। ১টি করে উইকেট নেন মুজিব উর রহমান এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow