টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের ছুটি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের সরকারি ছুটি দিয়ে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত। সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। কর্মদিবস শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখকে সামনে রেখে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির সূচি নির্ধারণ করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ফলে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন। এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের ছুটি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের সরকারি ছুটি দিয়ে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত।
সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। কর্মদিবস শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখকে সামনে রেখে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির সূচি নির্ধারণ করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ফলে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালি বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফশিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা।
এ ছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।
What's Your Reaction?