টেক্সটাইল খাতে চীনা বিনিয়োগ-প্রযুক্তি চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তির আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতা ও সরাসরি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। রোববার (২৬ এপ্রিল) চায়না ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের (সিডিপিএ) ২০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়। চীনা প্রতিনিধি দলটিতে চায়না ন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল কাউন্সিল ও চায়না ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ডাইং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং ও কেমিক্যাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান এবং মহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন। উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে আলোচনায় অংশ নেন সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক রুমানা রশীদ ও পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল। সভায় বিজিএমইএ সভাপতি চীনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক অংশীদার ও পোশাক শিল্পের কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতির প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করে

টেক্সটাইল খাতে চীনা বিনিয়োগ-প্রযুক্তি চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তির আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতা ও সরাসরি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

রোববার (২৬ এপ্রিল) চায়না ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের (সিডিপিএ) ২০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।

চীনা প্রতিনিধি দলটিতে চায়না ন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল কাউন্সিল ও চায়না ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষস্থানীয় ডাইং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং ও কেমিক্যাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান এবং মহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে আলোচনায় অংশ নেন সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক রুমানা রশীদ ও পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল।

সভায় বিজিএমইএ সভাপতি চীনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক অংশীদার ও পোশাক শিল্পের কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতির প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের উদীয়মান খাতসমূহ, বিশেষ করে ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ), সিনথেটিক ফাইবার ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের জোরালো আহ্বান জানান।

সভাপতি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ওভেন কাপড়ের বার্ষিক ৮-৯ বিলিয়ন ডলারের বিশাল আমদানির বাজার চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, চীনা উদ্যোক্তারা এসব সম্ভাবনাময় খাতে এককভাবে অথবা যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করতে পারেন, যেখানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সব ধরনের কৌশলগত সহযোগিতা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে এককভাবে অথবা যৌথভাবে বিনিয়োগ করে জাপানে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবেন বলেও জানান।

বিজিএমইএ সভাপতি দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রিন্টিং ও সিনথেটিক ফেব্রিকের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়াতে তিনি নিয়মিত টেকনিক্যাল ট্রেনিং ও নলেজ শেয়ারিং উদ্যোগের আহ্বান জানান।

এছাড়া পরিবেশবান্ধব ডাইং কারখানা স্থাপনে চীনের অগ্রগামী অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ঢাকা সফররত চীনা প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে ডাইং, প্রিন্টিং কারখানা পরিদর্শন করেন। বিজিএমইএ থেকে এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আইএইচও/এএসএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow