টেস্ট সিরিজ শেষে মাঠে নেমেই ব্যাট ও বল হাতে দুর্বার মুশফিক-তাইজুল
পাকিস্তানের সঙ্গে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মাঠে ফিরেই ব্যাট ও বল হাতে দুর্বার মুশফিকুর রহিম এবঙ তাইজুল ইসলাম। পাকিস্তানিদের বিপক্ষে ম্যান অব দ্য সিরিজ মুশফিক আর সিলেট টেস্টে বল হাতে জয়ের নায়ক তাইজুল ইসলাম আজ শনিবার ঢাকা মোহামেডানের হয়ে খেলতে নেমেই দারুণ পারফরম করেছেন। ফর্মে থাকা মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে এসেছে ৬২ বলে (৮ বাউন্ডারিতে) ৭২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। আর বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল দখল করেছেন ২৬ রানে ৫ উইকেট। তাইজুলের সঙ্গে বল হাতে ঘূর্ণি তৈরি করে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভীতি ছড়িয়েছেন আরেক বাঁ-হাতি স্পিনার তানভির ইসলাম। এ দুজনের বোলিং তোপের মুখে মাত্র ১০৮ রানে গুঁড়িয়ে গেছে গুলশান ক্লাব। ফলে মোহামেডান পেয়েছে ২৩৭ রানের বিরাট জয়। আগের পর্বে আবাহনীর বদান্যতায় প্রাইম ব্যাংককে পয়েন্ট তালিকায় ছুঁয়ে নেট রানরেটে ওপরে জায়গা করে নেওয়া মোহামেডান আজ শনিবার বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে এই বিশাল ব্যবধানে জয়ের ফলে লিগে সপ্তম ম্যাচে ষষ্ঠ জয়ের স্বাদ পেল। পাশাপাশি তাদের নেট রানরেটও আরও উন্নত হলো। সব মিলিয়ে ঈদের আগে শেষ হওয়া এবারের প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান সবার ওপরেই থাকল। লিগ টেবিলের সবার
পাকিস্তানের সঙ্গে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মাঠে ফিরেই ব্যাট ও বল হাতে দুর্বার মুশফিকুর রহিম এবঙ তাইজুল ইসলাম।
পাকিস্তানিদের বিপক্ষে ম্যান অব দ্য সিরিজ মুশফিক আর সিলেট টেস্টে বল হাতে জয়ের নায়ক তাইজুল ইসলাম আজ শনিবার ঢাকা মোহামেডানের হয়ে খেলতে নেমেই দারুণ পারফরম করেছেন।
ফর্মে থাকা মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে এসেছে ৬২ বলে (৮ বাউন্ডারিতে) ৭২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। আর বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল দখল করেছেন ২৬ রানে ৫ উইকেট। তাইজুলের সঙ্গে বল হাতে ঘূর্ণি তৈরি করে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভীতি ছড়িয়েছেন আরেক বাঁ-হাতি স্পিনার তানভির ইসলাম।
এ দুজনের বোলিং তোপের মুখে মাত্র ১০৮ রানে গুঁড়িয়ে গেছে গুলশান ক্লাব। ফলে মোহামেডান পেয়েছে ২৩৭ রানের বিরাট জয়।
আগের পর্বে আবাহনীর বদান্যতায় প্রাইম ব্যাংককে পয়েন্ট তালিকায় ছুঁয়ে নেট রানরেটে ওপরে জায়গা করে নেওয়া মোহামেডান আজ শনিবার বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে এই বিশাল ব্যবধানে জয়ের ফলে লিগে সপ্তম ম্যাচে ষষ্ঠ জয়ের স্বাদ পেল। পাশাপাশি তাদের নেট রানরেটও আরও উন্নত হলো।
সব মিলিয়ে ঈদের আগে শেষ হওয়া এবারের প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান সবার ওপরেই থাকল।
লিগ টেবিলের সবার নিচে থাকা গুলশানের বিপক্ষে ২ ওপেনার নাইম শেখ (৩০) আর পারভেজ হোসেন ইমন (১১) রান না পেলেও পরের দিকে অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং সাইফউদ্দিন তা পুষিয়ে দিয়েছেন। প্রথম তিনজনই পঞ্চাশের ঘরে পা রেখেছেন।
এর মধ্যে তাওহিদ হৃদয় আর মুশফিকুর রহিম তৃতীয় উইকেটে ১১০ রান যোগ করে দেন। যাতে অধিনায়ক হৃদয়ের সংগ্রহ ছিল ৭৭ বলে ৮৬। অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম খেলেন ১১৬.১৩ স্ট্রাইক রেটে ৭২ রানের আরেক কার্যকর ইনিংস।
আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫১ বলে ৫৫ ও অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন ২৪ বলে ৪৪ রানের আরও দুটি আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দিলে মোহামেডান পায় ৩৪৫ রানের (৯ উইকেটে) বিরাট স্কোর।
এ স্কোরটা হয়তো আরও বড় হতো, যদি না গুলশান বোলার আবির শেষ দিকে বল হাতে জ্বলে না উঠতেন। আবিরের বোলিং তোপে (৯ ওভারে ৪/৫৩) শেষ দিকে মাত্র ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে মোহামেডান। এর মধ্যে শেষ দুই উইকেট পড়ে শূন্য রানে।
ওদিকে মোহামেডানের ২ বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম (৫/২৬) ও তানভির (৪/৩৭)-এর স্পিন ঘূর্ণির মুখে গুলশান ক্লাবের একজন ব্যাটারও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি।
এআরবি/আইএইচএস
What's Your Reaction?