টোল আদায় নিয়ে সংঘর্ষ

নীলফামারীর ডোমারে অটো ও ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান থেকে টোল আদায়ের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন চালকরা। এ সময় আন্দোলনে বাধা দিতে গেলে টোল আদায়কারীদের এক ব্যক্তি গণপিটুনি শিকার হন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে অটো ও ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান চালকদের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডোমার সরকারি কলেজ গেট সংলগ্ন টোল আদায়ের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছলে টোল আদায়কারীরা বাধা দেয়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকারীদের হাতে আব্দুর রশিদ নামে এক টোল আদায়কারী মারধরের শিকার হন। পরে তাকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টোল আদায়ের নামে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টোল দিতে না পারলে গাড়ির চাবি কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি তাদের। অন্যদিকে ইজারাদাররা জানান, তারা পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বৈধভাবে ইজারা নিয়েছেন। নিয়ম মেনে টোল আদায় করা হলেও কিছু ব্যক্তি চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা চালকদের উস্কে দিয়ে সড়ক অবরোধ সৃষ্টি করে এবং তাদের একজনকে মারধর করে আহত করে বলে অভিযোগ করেন তারা। ডোমার উপজেলা

টোল আদায় নিয়ে সংঘর্ষ
নীলফামারীর ডোমারে অটো ও ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান থেকে টোল আদায়ের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন চালকরা। এ সময় আন্দোলনে বাধা দিতে গেলে টোল আদায়কারীদের এক ব্যক্তি গণপিটুনি শিকার হন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে অটো ও ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যান চালকদের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডোমার সরকারি কলেজ গেট সংলগ্ন টোল আদায়ের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছলে টোল আদায়কারীরা বাধা দেয়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকারীদের হাতে আব্দুর রশিদ নামে এক টোল আদায়কারী মারধরের শিকার হন। পরে তাকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টোল আদায়ের নামে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টোল দিতে না পারলে গাড়ির চাবি কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি তাদের। অন্যদিকে ইজারাদাররা জানান, তারা পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বৈধভাবে ইজারা নিয়েছেন। নিয়ম মেনে টোল আদায় করা হলেও কিছু ব্যক্তি চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা চালকদের উস্কে দিয়ে সড়ক অবরোধ সৃষ্টি করে এবং তাদের একজনকে মারধর করে আহত করে বলে অভিযোগ করেন তারা। ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, রাস্তায় চাঁদাবাজির কোনো স্থান নেই। তবে পৌরসভার যে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা রয়েছে, তা বহাল থাকবে—কিন্তু সড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি হবে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow