ট্রায়াল রুম-হোটেলে গোপন ক্যামেরা থাকলে জানাবে ফোনের ৩ অ্যাপ

ঘুরতে গেলে কিংবা শপিং মলে ট্রায়াল রুম ব্যবহার করার সময় এখন অনেকেই একটি ভয় নিয়ে থাকেন কোথাও লুকানো ক্যামেরা আছে কি না। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হোটেল ও ট্রায়াল রুমে গোপন ক্যামেরা পাওয়ার ঘটনায় সেই আতঙ্ক আরও বেড়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আপনার হাতের স্মার্টফোনই হতে পারে এমন ঝুঁকি থেকে বাঁচার সহজ উপায়। কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করেই খুব সহজে সন্দেহজনক ডিভাইস শনাক্ত করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৩টি দরকারি অ্যাপ সম্পর্কে- ১. ফিং (Fing) হোটেল বা ট্রায়াল রুমের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কোনো অচেনা ডিভাইস যুক্ত আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে সাহায্য করে এই অ্যাপ। যেভাবে কাজ করে-অ্যাপ চালু করে স্ক্যান দিলেই এটি একই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সব ডিভাইসের তালিকা দেখায়। সেখানে আইপি ক্যামেরা বা সন্দেহজনক ডিভাইস থাকলে সহজেই চোখে পড়ে। ফোনে অ্যাপ ইনস্টল করে ‘স্ক্যান’ অপশনে চাপ দিলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রিপোর্ট চলে আসে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন দুই প্ল্যাটফর্মেই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। ২. হিডেন ক্যামেরা ডিটেক্টর (Hidden Camera Detector) এই অ্যাপটি ফোনের ম্যাগনেটিক সেন্সর ব্যবহার করে আশপাশের ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত কর

ট্রায়াল রুম-হোটেলে গোপন ক্যামেরা থাকলে জানাবে ফোনের ৩ অ্যাপ

ঘুরতে গেলে কিংবা শপিং মলে ট্রায়াল রুম ব্যবহার করার সময় এখন অনেকেই একটি ভয় নিয়ে থাকেন কোথাও লুকানো ক্যামেরা আছে কি না। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হোটেল ও ট্রায়াল রুমে গোপন ক্যামেরা পাওয়ার ঘটনায় সেই আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, আপনার হাতের স্মার্টফোনই হতে পারে এমন ঝুঁকি থেকে বাঁচার সহজ উপায়। কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করেই খুব সহজে সন্দেহজনক ডিভাইস শনাক্ত করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৩টি দরকারি অ্যাপ সম্পর্কে-

১. ফিং (Fing)

হোটেল বা ট্রায়াল রুমের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কোনো অচেনা ডিভাইস যুক্ত আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে সাহায্য করে এই অ্যাপ। যেভাবে কাজ করে-অ্যাপ চালু করে স্ক্যান দিলেই এটি একই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সব ডিভাইসের তালিকা দেখায়। সেখানে আইপি ক্যামেরা বা সন্দেহজনক ডিভাইস থাকলে সহজেই চোখে পড়ে। ফোনে অ্যাপ ইনস্টল করে ‘স্ক্যান’ অপশনে চাপ দিলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রিপোর্ট চলে আসে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন দুই প্ল্যাটফর্মেই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।

২. হিডেন ক্যামেরা ডিটেক্টর (Hidden Camera Detector)

এই অ্যাপটি ফোনের ম্যাগনেটিক সেন্সর ব্যবহার করে আশপাশের ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে পারে। স্পাই ক্যামেরা বা ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আশপাশে বিশেষ ধরনের চৌম্বকীয় তরঙ্গ থাকে। ফোনটি সন্দেহজনক জায়গার কাছে নিলেই অ্যাপের মিটার বেড়ে যায় এবং শব্দ করে সতর্ক করে। দেওয়াল ঘড়ি, আয়না, ফুলদানি, টিভির পাশ বা ধোঁয়া শনাক্তকারী ডিভাইসের মতো জায়গা স্ক্যান করতে পারেন। পুরো রুম পরীক্ষা করতে সাধারণত দুই-তিন মিনিটই যথেষ্ট।

৩. গ্লাইন্ট ফিন্ডার (Glint Finder)

গোপন ক্যামেরার লেন্সে থাকা ক্ষুদ্র প্রতিফলন শনাক্ত করতেই এই অ্যাপের ব্যবহার। অ্যাপ চালু করলে ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বিশেষভাবে জ্বলতে থাকে। অন্ধকার ঘরে ফোন ঘোরালে ক্যামেরার লেন্সে আলো পড়ে ছোট উজ্জ্বল বিন্দুর মতো দেখা যায়।
ঘরের লাইট বন্ধ করে ধীরে ধীরে চারপাশ স্ক্যান করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোর দুই জায়গাতেই অ্যাপটি পাওয়া যায়।

সতর্ক থাকুন

শুধু অ্যাপের উপর নির্ভর না করে রুমে ঢোকার পর আয়না, টিভি বক্স, চার্জার, স্মোক ডিটেক্টর বা অস্বাভাবিক ছোট ছিদ্র আছে কি না সেটিও খেয়াল করুন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে হোটেল কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।

সূত্র: সিএনবিসি, ফিন অ্যাপ

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow