ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ
গত ২৩ এপ্রিল শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানা মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ। তবে ডাকসু নেতাদের দেওয়া একটি অভিযোগপত্র থানা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) শাহবাগ থানায় মামলা দিতে এসে থানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। মুসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন, ‘গত তিনদিন আমরা হাসপাতালের বেডে ছিলাম। কিছুটা সুস্থ হয়ে আমরা থানায় এসেছি অভিযোগ দায়ের করার জন্য। থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ গ্রহণ করলেও, তারা মামলা গ্রহণ করেনি। তারা বলেছে তদন্ত করে মামলা গ্রহণ করবে। তবে আমরা অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখেছি অভিযোগ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণের ঘটনা ঘটে।’ আরও পড়ুনবেঁচে আছি এখনো, নাও থাকতে পারতাম: ডাকসুর এবি জুবায়ের তিনি বলেন, ‘এখানে যারা কর্মকর্তারা ছিলেন, তাদের চোখে-মুখে এক ধরনের চাপা আতঙ্ক। এমনকি তারা ছবি তুলতেও ভয় পাচ্ছিলেন। এই আতঙ্ক কিসের? কারা পুলিশকে আবার দলীয় বাহিনী হিসেবে রেডি করতে চাচ্ছে? তা নিয়ে আমাদের মাঝে সংশয় তৈরি হয়েছে। তারা বলেছেন উপরের নির্দেশ ছাড়া আমরা এটি (মা
গত ২৩ এপ্রিল শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানা মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ। তবে ডাকসু নেতাদের দেওয়া একটি অভিযোগপত্র থানা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) শাহবাগ থানায় মামলা দিতে এসে থানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
মুসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন, ‘গত তিনদিন আমরা হাসপাতালের বেডে ছিলাম। কিছুটা সুস্থ হয়ে আমরা থানায় এসেছি অভিযোগ দায়ের করার জন্য। থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ গ্রহণ করলেও, তারা মামলা গ্রহণ করেনি। তারা বলেছে তদন্ত করে মামলা গ্রহণ করবে। তবে আমরা অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখেছি অভিযোগ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণের ঘটনা ঘটে।’
আরও পড়ুন
বেঁচে আছি এখনো, নাও থাকতে পারতাম: ডাকসুর এবি জুবায়ের
তিনি বলেন, ‘এখানে যারা কর্মকর্তারা ছিলেন, তাদের চোখে-মুখে এক ধরনের চাপা আতঙ্ক। এমনকি তারা ছবি তুলতেও ভয় পাচ্ছিলেন। এই আতঙ্ক কিসের? কারা পুলিশকে আবার দলীয় বাহিনী হিসেবে রেডি করতে চাচ্ছে? তা নিয়ে আমাদের মাঝে সংশয় তৈরি হয়েছে। তারা বলেছেন উপরের নির্দেশ ছাড়া আমরা এটি (মামলা গ্রহণ) করতে পাবেন না। দায়িত্ব ছিল পুলিশের নিজের বাদী হয়ে মামলা করা, কারণ এই ঘটনা থানার অভ্যন্তরে ঘটেছে। পুলিশের সামনে আমাদের মারধর করা হয়েছে। পাঁচ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আমরা এ ধরনের ঘটনা প্রত্যাশা করিনি।’
এসময় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, ‘আমরা নিজেরা সব হামলার ভিডিও যাচাই-বাছাই করে যাদের পেয়েছি স্পষ্টভাবে, তাদের চিহ্নিত করে হামলাকারীর চিত্র ও পরিচয়সহ ডকুমেন্ট করে থানা কর্তৃপক্ষকে দিয়েছি। তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের দিয়েছি। এখন দেখবো যে তারা মামলা গ্রহণ করে কি না এবং তাদের বিচারকার্য কতটা স্বচ্ছ। আমরা অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার দেখতে চাচ্ছি।’
এফএআর/ইএ
What's Your Reaction?