ডিএসইতে সূচকের সঙ্গে বাড়লো লেনদেন, সিএসইতে পতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৪ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান থাকলেও মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে হ্রাস পেয়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এই নিয়ে সিএসইতে চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই মূল্যসূচক কমলো। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে বৃদ্ধির তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়। ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫৯টির আর ৬৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯০টির কমেছে এবং ৩১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝার
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৪ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
তবে অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান থাকলেও মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে হ্রাস পেয়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এই নিয়ে সিএসইতে চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই মূল্যসূচক কমলো।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে বৃদ্ধির তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫৯টির আর ৬৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯০টির কমেছে এবং ৩১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৫১টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ১৮টির এবং পাঁচটির অপরিবর্তিত আছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে হ্রাস পেয়েছে ৫১টির এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে পাঁচটির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ১৫টির কমেছে ও ১৪টির অপরিবর্তিত আছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১২ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ২২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক চার পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৫৪ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় চার পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ২৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
এই লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার। ২১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাভেলো আইসক্রিম।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ব্যাংক, মীর আখতার হোসেন লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, টেকনো ড্রাগস, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ও খান ব্রদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে চার পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৮৬টির এবং ৩২টির অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
এমএএস/একিউএফ
What's Your Reaction?