ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: চট্টগ্রাম ডিসি

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ডেঙ্গু এখন মহামারির রূপ নিয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামের ডিসি হিল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রোগীর প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায় এবং জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। আমরা চাই না কোনো মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ুক। তাই আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং বসবাসের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিষ্কার করে একটি নিরাপদ ও সুস্থ নগর গড়ে তোলা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম। এখন থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে নগরবাসীকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থে

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: চট্টগ্রাম ডিসি

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ডেঙ্গু এখন মহামারির রূপ নিয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (১৪ মার্চ) ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামের ডিসি হিল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে রোগীর প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায় এবং জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। আমরা চাই না কোনো মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ুক। তাই আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং বসবাসের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিষ্কার করে একটি নিরাপদ ও সুস্থ নগর গড়ে তোলা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম। এখন থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে নগরবাসীকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রক্ষা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাসব্যাপী এ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কর্মসূচির আওতায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং জনগণকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্পৃক্ত করা হবে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই চলতি বছরে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় ৯৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গত মাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এমআরএএইচ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow