ডেমরায় ভেঙে ফেলা হচ্ছে সেই ভবন

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্দেশে ডেমরার হাজীনগর এলাকার সেই ঝুঁকিপূর্ণ ছয় তলা ভবনটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে ডিএসসিসির ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাজি মোয়াজ্জেম আলী স্কুল ও বাইতুল কাওছার জামে মসজিদ সংলগ্ন ১০৬ নম্বর হোল্ডিংয়ের এই ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় দুই মাস সময় লাগতে পারে। জানা গেছে, গত বছরের মাঝামাঝি ৬ তলা ম্যানশন ভবনটি নির্মাণ ত্রুটির কারণে পাশের আরও একটি ৭ তলা ভবনের উপরে হেলে পড়ে। সে সময় রাজউক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভবন পরিদর্শন করে। তারা ভবনে বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সিলগালা করে দেয়। এ বিষয়ে ভবনের সামনের সড়কে যাতায়াতকারী পথচারীরা বলেন, প্রায় ১ বছরের হলো ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে যাতায়াত করছি। কারণ যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারতো। এখন এ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে দেখে এলাকাবাসী আতঙ্কমুক্ত হলো। ভবনের মালিক মো. শহিদ মিয়া বলেন, ব

ডেমরায় ভেঙে ফেলা হচ্ছে সেই ভবন
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্দেশে ডেমরার হাজীনগর এলাকার সেই ঝুঁকিপূর্ণ ছয় তলা ভবনটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে ডিএসসিসির ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাজি মোয়াজ্জেম আলী স্কুল ও বাইতুল কাওছার জামে মসজিদ সংলগ্ন ১০৬ নম্বর হোল্ডিংয়ের এই ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় দুই মাস সময় লাগতে পারে। জানা গেছে, গত বছরের মাঝামাঝি ৬ তলা ম্যানশন ভবনটি নির্মাণ ত্রুটির কারণে পাশের আরও একটি ৭ তলা ভবনের উপরে হেলে পড়ে। সে সময় রাজউক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভবন পরিদর্শন করে। তারা ভবনে বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সিলগালা করে দেয়। এ বিষয়ে ভবনের সামনের সড়কে যাতায়াতকারী পথচারীরা বলেন, প্রায় ১ বছরের হলো ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে যাতায়াত করছি। কারণ যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারতো। এখন এ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে দেখে এলাকাবাসী আতঙ্কমুক্ত হলো। ভবনের মালিক মো. শহিদ মিয়া বলেন, বিদেশে উপার্জনের টাকায় এ ম্যানশন ভবন নির্মাণ করেছি। এটাই আমার একমাত্র সম্বল। কোনো ত্রুটি ছিল না নির্মাণে। তারপরেও কেন যে ভবনটি হেলে পড়ল কিছুই বুঝলাম না। এখন কি আর করা হেলেপড়া ভবনে তো আর বসবাস করা যাবে না; তাই রাজউক, সিটি কর্পোরেশনের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ভবনটি ভেঙে ফেলতে হচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জোন ৮-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খলিলুর রহমান এবং রাজউকের অঞ্চল ৮-এর অথরাইজড অফিসার জান্নাতুল মাওয়া বলেন, গত বছরের জুলাই মাসে আমরা ভবন পরিদর্শন করে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সিলগালাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এবার ভবন খালি করে দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ জুলাই ভবনটি আরেকটি ভবনের উপর হেলে পড়ে। খবর পেয়ে রাজউক, ডিএসসিসি, ফায়ার সার্ভিস ও ডেমরা থানা পুলিশ পরিদর্শন করে ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ও বসবাসের অযোগ্য ঘোষণা করে। ভবনের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে সিলগালা করে দিয়ে যান তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow