ড্রোন হামলার আতঙ্ক, সতর্কতা প্রত্যাহার করল ফিনল্যান্ড

আকাশসীমায় সন্দেহভাজন ড্রোন তৎপরতা নিয়ে জারি করা সতর্কতা প্রত্যাহার করেছে ফিনল্যান্ড। দেশটি জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হেলসিঙ্কি অঞ্চলের আকাশে সন্দেহজনক ড্রোন চলাচল আর কোনো হুমকি সৃষ্টি করছে না। জরুরি প্রতিক্রিয়া শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে। জরুরি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছিল এবং রাজধানীর বিমানবন্দরও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। হেলসিঙ্কি সিটি রেসকিউ বিভাগ স্থানীয় সময় ভোর ৪টা থেকে ফিনল্যান্ডের উউসিমা অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। এ সময় যুদ্ধবিমান আকাশে টহল শুরু করে। হেলসিঙ্কি বিমানবন্দরও প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়। পরে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এক্সে লিখেন, কর্তৃপক্ষ তাদের প্রস্তুতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। বর্তমানে দেশের ওপর কোনো সরাসরি সামরিক হুমকি নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধারসেবা বিভাগের মহাপরিচালক কিম্মো কোহভাক্কা এই প্রতিক্রিয়াকে সতর্কতামূলক ব্যবস্

ড্রোন হামলার আতঙ্ক, সতর্কতা প্রত্যাহার করল ফিনল্যান্ড

আকাশসীমায় সন্দেহভাজন ড্রোন তৎপরতা নিয়ে জারি করা সতর্কতা প্রত্যাহার করেছে ফিনল্যান্ড। দেশটি জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হেলসিঙ্কি অঞ্চলের আকাশে সন্দেহজনক ড্রোন চলাচল আর কোনো হুমকি সৃষ্টি করছে না। জরুরি প্রতিক্রিয়া শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে। জরুরি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছিল এবং রাজধানীর বিমানবন্দরও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

হেলসিঙ্কি সিটি রেসকিউ বিভাগ স্থানীয় সময় ভোর ৪টা থেকে ফিনল্যান্ডের উউসিমা অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। এ সময় যুদ্ধবিমান আকাশে টহল শুরু করে। হেলসিঙ্কি বিমানবন্দরও প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়।

পরে প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এক্সে লিখেন, কর্তৃপক্ষ তাদের প্রস্তুতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। বর্তমানে দেশের ওপর কোনো সরাসরি সামরিক হুমকি নেই।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধারসেবা বিভাগের মহাপরিচালক কিম্মো কোহভাক্কা এই প্রতিক্রিয়াকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

বাল্টিক রাষ্ট্র এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার দিকে যাওয়া সন্দেহভাজন ইউক্রেনীয় ড্রোন একাধিকবার তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। এতে সামরিক হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে দেশগুলোর ভেতরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে গত মার্চে দুটি ড্রোন সমুদ্রপথ ও দক্ষিণ-পূর্ব ফিনল্যান্ডের ওপর দিয়ে নিচু উচ্চতায় উড়ে ফিনিশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বিধ্বস্ত হয়েছিল। শুক্রবারের ড্রোন তৎপরতার উৎস সম্পর্কে ফিনিশ কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

তবে প্রতিরক্ষা বাহিনীর অপারেশন প্রধান কারি নিসুলা বলেন, ফিনল্যান্ড সম্ভবত ইউক্রেনের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছিল যে, কিছু ড্রোন দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়তে পারে। তবে ড্রোন সত্যিই ফিনল্যান্ডে প্রবেশ করেছে কি না, তার কোনো প্রমাণ নেই। রাশিয়া যতদিন ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, ততদিন এমন পরিস্থিতি আবারও ঘটতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow