ঢাকার ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাত আর হৃদয়ের ‘কই মাছের প্রাণ’

‘এটা কেমন মিস!’- ইনিংসের শেষ ওভারে যখন কাইল মায়ার্সের সহজ ক্যাচ ফেলেন মারুফ মৃধা, তখন এই লাইনটাই সবচেয়ে বেশি শোনা গেলো প্রেসবক্সে। অবশ্য বিপিএলে আজ (শনিবার) মিরপুরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালসের পুরো ফিল্ডিংই ছিল হাস্যকর সব শিশুসুলভ আচরণে ভরা। রংপুরের ওপেনার তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচ যেন পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর ঢাকা ক্যাপিটালসের ফিল্ডারের হাত হয়তো সবচেয়ে পিচ্ছিল জায়গা। পুরো ম্যাচে এক হালির বেশি ক্যাচ মিস, এক জোড়া রান আউট মিসের সঙ্গে হাস্যকর সব ফিল্ডিং জড়িয়ে আছে ঢাকায় বোলিং ইনিংসে। রংপুরের ওপেনার তাওহিদ হৃদয়কেই তারা নতুন জীবন দিয়েছেন তিনবার। এটা দেখে মনে হতে পারে ঢাকার ফিল্ডারদের হাত পিচ্ছিল নাকি তাওহিদ হৃদয়ের ‘জীবনটা কই মাছের!’ মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেটে আজ ঢাকা পর্বের দ্বিতীয় দিনের প্রথম খেলায় মুখোমুখি হয় ঢাকা ক্যাপিটালস ও রংপুর রাইডার্স। টস জিতে আগে বোলিং করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস রংপুরের ওপেনিং জুটি ভাঙতেই পারছিল না। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০ রান তুলে ফেলে রংপুর। ঢাকা যখন একটি ব্রেক থ্রু’র আশায়, তখনই যেনো দলটির ফিল্ডারদের হাত হয়ে উঠলো পিচ্ছিল। দশ

ঢাকার ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাত আর হৃদয়ের ‘কই মাছের প্রাণ’

‘এটা কেমন মিস!’- ইনিংসের শেষ ওভারে যখন কাইল মায়ার্সের সহজ ক্যাচ ফেলেন মারুফ মৃধা, তখন এই লাইনটাই সবচেয়ে বেশি শোনা গেলো প্রেসবক্সে। অবশ্য বিপিএলে আজ (শনিবার) মিরপুরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালসের পুরো ফিল্ডিংই ছিল হাস্যকর সব শিশুসুলভ আচরণে ভরা।

রংপুরের ওপেনার তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচ যেন পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর ঢাকা ক্যাপিটালসের ফিল্ডারের হাত হয়তো সবচেয়ে পিচ্ছিল জায়গা। পুরো ম্যাচে এক হালির বেশি ক্যাচ মিস, এক জোড়া রান আউট মিসের সঙ্গে হাস্যকর সব ফিল্ডিং জড়িয়ে আছে ঢাকায় বোলিং ইনিংসে।

রংপুরের ওপেনার তাওহিদ হৃদয়কেই তারা নতুন জীবন দিয়েছেন তিনবার। এটা দেখে মনে হতে পারে ঢাকার ফিল্ডারদের হাত পিচ্ছিল নাকি তাওহিদ হৃদয়ের ‘জীবনটা কই মাছের!’

মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেটে আজ ঢাকা পর্বের দ্বিতীয় দিনের প্রথম খেলায় মুখোমুখি হয় ঢাকা ক্যাপিটালস ও রংপুর রাইডার্স। টস জিতে আগে বোলিং করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস রংপুরের ওপেনিং জুটি ভাঙতেই পারছিল না। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫০ রান তুলে ফেলে রংপুর। ঢাকা যখন একটি ব্রেক থ্রু’র আশায়, তখনই যেনো দলটির ফিল্ডারদের হাত হয়ে উঠলো পিচ্ছিল।

দশম ওভারে তাওহিদ হৃদয়কেই টানা দুই বলে দু’বার জীবন দেন ঢাকার ফিল্ডাররা। ওভারের চতুর্থ বলে তার ক্যাচ ফেলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ঠিক পরের বলেই লং অনে হৃদয়কে জীবন দেন ঢাকার পাকিস্তানি ফিল্ডার উসমান খান। ১ রানের ব্যবধানে দুইবার জীবন পাওয়া হৃদয় তখন ব্যাটিং করছিলেন ৩৬ রান নিয়ে, ইনিংস শেষে তার নামের পাশে জমা হয় ৬২ রান।

হৃদয়ের ‘জীবন এদিন যে কই মাছে’র মতো হয়ে গিয়েছিল! ১৬তম ওভারে আবার হৃদয়ের ক্যাচ ফেলে ঢাকা, এবারের ফিল্ডারের নাম সাইফ হাসান। তখন হৃদয়ের নামের পাশে রান হয়েছে ৪৮। এরপর আরও ১৪ রান যোগ করেছেন রংপুরের এই ডানহাতি ব্যাটার।

হৃদয় এরপর আউট হলেও ঢাকার ফিল্ডাররা ক্যাচ ছাড়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। তরুণ বাঁ-হাতি পেসার মারুফ মৃধাকে দেখে মনে হচ্ছিল ক্রিকেট বলে কখনোই ক্যাচ ধরেননি তিনি।

১৯তম ওভারের শেষ বলে তার পিচ্ছিল হাতের বদান্যতায় বেঁচে যান রংপুরের পাকিস্তানি ব্যাটার খুশদিল। পরের ওভারে আবারও দৃশ্যপটে মারুফ! এবার মিস করলেন আরও সহজ ক্যাচ এবং আরও বাজেভাবে! এবার ব্যাটারের নাম কাইল মায়ার্স। ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন রীতিমতো বাধ্য হয়ে তাকে বাউন্ডারি থেকে ৩০ গজের ভিতর নিয়ে আসেন।

এতো গেলো ক্যাচ মিসের তালিকা। এদিন রান আউটও মিস করেছেন ঢাকার ফিল্ডাররা, তাও কয়েকটা। এখানেও আছেন মারুফ মৃধা আর তার সঙ্গে সাইফউদ্দিন। দুজনই একটি করে রান আউট মিস করেছেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি ফিল্ডিং মিসও আছে যেগুলো দেখলে বিষ্ময়ের সঙ্গে সন্দেহ গন্ধও পেতে পারেন অনেকে।

এসকেডি/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow