ঢাকায় বিপিএল ‘ফেরার’ দিনে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়

ঘড়ির কাটায় তখন সকাল ১১টার আশেপাশে! মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশেপাশে তখনই ভিড় করা শুরু করেছেন দর্শকরা। অথচ শুক্রবার হওয়ায় দিনের প্রথম খেলা শুরু হওয়ার কথা বেলা ২টায়। আবার একদিন আগেই বয়কট করায় ক্রিকেটারদের উপর ক্ষুব্ধও ছিলেন অনেকে। তবে এদিন অবশ্য সবার মুখে বিপিএল মাঠে ফেরার হাসি আর উচ্ছ্বাসই দেখা গেছে। আগের দিন ক্ষোভ থাকলেও মাঠে খেলায় ফেরায় তারা খুব খুশি। ১৮ দিনের সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল ঢাকায় ফেরার কথা ছিল বৃহস্পতিবার। তবে ঠিক তার আগের দিন ক্রিকেটারদের নিয়ে একাধিক অবমাননাকর মন্তব্য করেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এরপর তার পদত্যাগের দাবিতে বিপিএলসহ সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেন ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। এতে বৃহস্পতিবার খেলা হয়নি, ফলে সত্যিকার অর্থে ঢাকায় বিপিএল ফিরলো আজ শুক্রবার। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ক্রিকেটারদের সমালোচনায় মেতে ওঠেন, ক্রিকেট না দেখার কথাও বলেন। তবে শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও বাইরের দৃশ্য পুরো ভিন্ন, দর্শকদের ভিড় লেগে আছে সবখানেই। গ্রান্ড স্ট্যান্ড, শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড বা শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড,

ঢাকায় বিপিএল ‘ফেরার’ দিনে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়

ঘড়ির কাটায় তখন সকাল ১১টার আশেপাশে! মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশেপাশে তখনই ভিড় করা শুরু করেছেন দর্শকরা। অথচ শুক্রবার হওয়ায় দিনের প্রথম খেলা শুরু হওয়ার কথা বেলা ২টায়। আবার একদিন আগেই বয়কট করায় ক্রিকেটারদের উপর ক্ষুব্ধও ছিলেন অনেকে। তবে এদিন অবশ্য সবার মুখে বিপিএল মাঠে ফেরার হাসি আর উচ্ছ্বাসই দেখা গেছে। আগের দিন ক্ষোভ থাকলেও মাঠে খেলায় ফেরায় তারা খুব খুশি।

১৮ দিনের সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল ঢাকায় ফেরার কথা ছিল বৃহস্পতিবার। তবে ঠিক তার আগের দিন ক্রিকেটারদের নিয়ে একাধিক অবমাননাকর মন্তব্য করেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এরপর তার পদত্যাগের দাবিতে বিপিএলসহ সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেন ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। এতে বৃহস্পতিবার খেলা হয়নি, ফলে সত্যিকার অর্থে ঢাকায় বিপিএল ফিরলো আজ শুক্রবার। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ক্রিকেটারদের সমালোচনায় মেতে ওঠেন, ক্রিকেট না দেখার কথাও বলেন। তবে শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও বাইরের দৃশ্য পুরো ভিন্ন, দর্শকদের ভিড় লেগে আছে সবখানেই।

গ্রান্ড স্ট্যান্ড, শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড বা শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড, কোথাও যেন সিট ফাঁকা নেই। বেলা শেষে সন্ধ্যা গড়ালেও গেটের সামনে দর্শকদের প্রবেশ চলছেই। গতকাল অমন নজীরবিহীন দিনের পরের দিনই হোম অব ক্রিকেটের গ্যালারি দর্শকে ঠাসা প্রমান করে ক্রিকেট বাংলাদেশে সবকিছুর উর্ধ্বে। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ২৩ হাজারের আশেপাশে। এই মুহূর্তে সেটা পূরণ হতে বেশি বাকি নেই, দিনের দ্বিতীয় খেলা শুরুর আগেই হয়তো ২৩ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

এমনকি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে দর্শকদের চাপ এত বেশি যে নিরাপত্তাকর্মীরাও তাদের সামলাতে যথেষ্ট বেগ পোহাচ্ছেন। একদিন আগে ক্রিকেটারদের ক্ষোভ ঝাড়া, ফেসবুকে সমালোচনা করে খেলা না দেখার ঢাক দেওয়া আর আজকে হোম অফ ক্রিকেটের দৃশ্য যেন আকাশ-পাতাল পার্থক্য। সুমন নামের একজন বলেন, ‘হ্যাঁ আমাদের রাগ হয়েছিল। কিন্তু সেটা হুট করে জানতে পেরেছিলাম এজন্য। ক্রিকেটারদের নিয়ে ওইরকম মন্তব্য করলে তারা তো আন্দোলন করবেই। ক্রিকেটাররাও আমাদের বোর্ড ও আমাদের। আমরা চাই মাঠে খেলা হোক, বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যাক।’

নোয়াখালী থেকে খেলা দেখতে এসেছেন আকাশ নামের ৩৪ বছর বয়সী একজন। তিনি বলেন, ‘গতকাল অনেক কষ্ট করে মাঠে এসেছিলাম কিন্তু খেলা না হওয়াতে ক্ষোভ জানাই। আমার একদিন থাকতে হয়েছে এই খেলা দেখতে! এজন্য এছাড়া আর কিছু না।’

তাহলে ফেসবুকে যে বয়কটের ডাক! এ নিয়ে সবুজ নামের এজন বলেন, ‘ফেসবুকে যে যা খুশি লিখতে পারে। কিন্তু ক্রিকেট পাগল দেশ আমরা। ক্রিকেটারদের সমালোচনা করবো, ক্ষোভ প্রকাশ করবো কিন্তু খেলা হলে ঠিকই দেখতে আসবো। ক্রিকেট বয়কটের প্রশ্নই আসে না।’

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow