পুঁজিবাজারের চিহ্নিত প্রতিবন্ধকতা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধকতা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে পুঁজিবাজার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে পুঁজিবাজারের অংশীজনদের পঞ্চম মাসিক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, মো. সাইফুদ্দিনসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা। বিএসইসিকে অধিকতর শক্তিশালীকরণ ও পুঁজিবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটির সভাপতি আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অংশীজনদের সমন্বয় সভা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। এ ধরনের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালু করতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান ও চিহ্নিত প্রতিবন্ধকতা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে পুঁজিবাজার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে পুঁজিবাজারের অংশীজনদের পঞ্চম মাসিক সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, মো. সাইফুদ্দিনসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
বিএসইসিকে অধিকতর শক্তিশালীকরণ ও পুঁজিবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটির সভাপতি আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অংশীজনদের সমন্বয় সভা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। এ ধরনের একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালু করতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি সবার মতামতের ভিত্তিতে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সমাপ্ত বছরে পুঁজিবাজার সংস্কারে সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’, ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০২৫’ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫’ নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, নতুন পণ্য আনা, রোড শো, ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ ও অনলাইনে বিও অ্যাকাউন্ট খোলা, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুকরণ, পুঁজিবাজারের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এপিআই কানেকটিভিটি বৃদ্ধি, পুঁজিবাজারে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তকরণ, মার্জার ও একুইজিশন ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়।
সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণ, সিসিবিএলের রেজিস্ট্রেশন ও অপারেশনে আনয়ন, মার্চেন্ট ব্যাংকের কাজের পরিধি বৃদ্ধিকরণ, বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার ও বিকাশ, দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা ও পুঁজিবাজার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্তকরণ, বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাক্ষিক ভিত্তিতে বিনিয়োগ শিক্ষার ওপর অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, তাদের স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় বিএসইসির চেয়ারম্যান পুঁজিবাজারের সংস্কার ও উন্নয়নে কমিশনের উদ্যোগ ও কার্যক্রমের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মার্জিন বিধিমালা, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ও পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ রুলস- এই তিনটি রুলস পুঁজিবাজারের সংস্কারের পথে তাদের প্রধানতম তিনটি কাজ এবং তারা ২০২৫ সালের মধ্যেই এগুলো সম্পন্ন করেছেন। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারের আইনি সংস্কারের বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের হৃদপিণ্ড হলো আইপিও। পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ রুলসের মাধ্যমে বাজারে নতুন আইপিও আসার পথ সুগম হয়েছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহারের সময় এখনই। এজন্য বাজার সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে।
সভায় অংশ নেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল মোতালেব ও সিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আ স ম খায়রুজ্জামান।
পাশাপাশি বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ইফতেখার আলম, সাধারণ সম্পাদক সুমিত পোদ্দার ও কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ রাশেদ হুসাইন, ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসির সিইও মো. আল আমিন তালুকদার, ডিবিএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ মাহাদি হাসান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) হাসনাইন বারী, সিডিবিএলের সিএফও মুহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ বিএসইসির নির্বাহী পরিচালকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এমএএস/একিউএফ
What's Your Reaction?