ঢাবি ক্যান্টিনের খাবারে পোকা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এএফ রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবারে পোকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে স্যার এএফ রহমান হলের ক্যান্টিনে খাবার খেতে গিয়ে ভাতে পোকা দেখতে পান এক শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় মাছের সঙ্গে প্লেটে পোকা দেখতে পান এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্যান্টিনে হল সংসদের দুই প্রতিনিধি ও উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এর আগেও ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত ক্যান্টিনের খাবারের মান নিশ্চিত করা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। হলটির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জিন্নাহ সরকার বলেন, দুপুরের খাবার এনে খাওয়ার সময় মাছের সঙ্গে প্লেটে এই পোকাটি দেখতে পাই। এটি ক্যান্টিন মালিকের চরম উদাসীনতার পরিচয়। এ ধরনের খাবার পরিবেশনের কারণে আমরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছি। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ক্যান্টিন মালিক পরিবর্তন করা জরুরি। ক্যান্টিন মালিক রবিউল ইসল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এএফ রহমান হলের ক্যান্টিনের খাবারে পোকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে স্যার এএফ রহমান হলের ক্যান্টিনে খাবার খেতে গিয়ে ভাতে পোকা দেখতে পান এক শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় মাছের সঙ্গে প্লেটে পোকা দেখতে পান এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্যান্টিনে হল সংসদের দুই প্রতিনিধি ও উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এছাড়াও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এর আগেও ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত ক্যান্টিনের খাবারের মান নিশ্চিত করা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
হলটির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জিন্নাহ সরকার বলেন, দুপুরের খাবার এনে খাওয়ার সময় মাছের সঙ্গে প্লেটে এই পোকাটি দেখতে পাই। এটি ক্যান্টিন মালিকের চরম উদাসীনতার পরিচয়। এ ধরনের খাবার পরিবেশনের কারণে আমরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছি। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ক্যান্টিন মালিক পরিবর্তন করা জরুরি।
ক্যান্টিন মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, বাঁধাকপি সবজি কাটার সময় এই বিষয়টি লক্ষ করেনি। পরবর্তীতে অভিযোগটি আসার পর আমি বাবুর্চিকে শাসিয়েছি। আর এরকম হবে না।
এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ কাজী মাহফুজুল হক সুপণ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি এখনো অবগত নই। তবে এটি আমাদের সাপ্তাহিক সভায় আলোচনায় আনা হবে। সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?