তদন্ত প্রতিবেদন না আসায় ৯৩ বার পেছালো তারিখ, পরবর্তী শুনানি ৯ এপ্রিল

  বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলায় আবারও তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটির শুনানির তারিখ ফের পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে ৯৩ বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ৯ এপ্রিল নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। প্রতারণার মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রক্ষিত এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। এ মামলার তদন্ত

তদন্ত প্রতিবেদন না আসায় ৯৩ বার পেছালো তারিখ, পরবর্তী শুনানি ৯ এপ্রিল

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলায় আবারও তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটির শুনানির তারিখ ফের পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে ৯৩ বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ৯ এপ্রিল নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। প্রতারণার মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রক্ষিত এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব শুরু থেকেই সিআইডির ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ এরইমধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরত এসেছে ২ কোটি ডলার।

ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) থেকে পাওয়া গেছে মাত্র ৬৮ হাজার ডলার। পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরসিবিসিতে থাকা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত করে ফেরত আনার বিষয়ে সম্প্রতি ঢাকার একটি আদালত আদেশ দিয়েছেন।

 এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow