তাকবিরে তাশরিক কতবার পড়তে হয়?

প্রশ্ন: ঈদুল আজহার দিনগুলোতে ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক কতবার পড়তে হয়? একবার নাকি তিনবার? উত্তর: তাকবিরে তাশরিক নির্ধারিত দিনগুলোতে ফরজ নামাজের পর শব্দ করে একবার পড়া ওয়াজিব। অনেকেই তিনবার পড়ার কথা বলেন, কিন্তু এর কোনো ভিত্তি নেই। সুন্নত মনে করে পড়লে মাকরুহ হবে। হিজরি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজের ৯-১৩ তারিখ পর্যন্ত ৫ দিন মোট ২৫ ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। এ বছর বাংলাদেশে ১৪৪৭ হিজরির ৯ জিলহজ মোতাবেক ২৭ মে ২০২৬ বুধবার ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে ১৩ জিলহজ মোতাবেক ৩১ মে ২০২৬ রোববার আসরের নামাজ পর্যন্ত তাকবিরে তাশরিক পড়তে হবে। মুসলমান প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, নিজের বাড়িতে অবস্থানকারী ও মুসাফির, একা ও জামাতে নামাজ আদায়কারী সবার জন্য ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। ফরজ নামাজের পর নিজের জায়গা থেকে না উঠে, কথা না বলে বা অজুর সাথে তাকবিরে তাশরিক পড়তে হয়। তাকবিরে তাশরিক পড়ার আগে  (ক) মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলে (খ) নামাজ ফাসেদ হয়ে যায় এমন কোনো কাজ করলে (গ) অজু নষ্ট হয়ে যায় এমন কিছু ঘটলে তাকবিরে তাশরিক পড়ার সময় আর বাকি থাকে না। কেউ যদি নামাজের পরপর ওপরে উল্লি

তাকবিরে তাশরিক কতবার পড়তে হয়?

প্রশ্ন: ঈদুল আজহার দিনগুলোতে ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক কতবার পড়তে হয়? একবার নাকি তিনবার?

উত্তর: তাকবিরে তাশরিক নির্ধারিত দিনগুলোতে ফরজ নামাজের পর শব্দ করে একবার পড়া ওয়াজিব। অনেকেই তিনবার পড়ার কথা বলেন, কিন্তু এর কোনো ভিত্তি নেই। সুন্নত মনে করে পড়লে মাকরুহ হবে।

হিজরি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজের ৯-১৩ তারিখ পর্যন্ত ৫ দিন মোট ২৫ ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। এ বছর বাংলাদেশে ১৪৪৭ হিজরির ৯ জিলহজ মোতাবেক ২৭ মে ২০২৬ বুধবার ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে ১৩ জিলহজ মোতাবেক ৩১ মে ২০২৬ রোববার আসরের নামাজ পর্যন্ত তাকবিরে তাশরিক পড়তে হবে।

মুসলমান প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ, নিজের বাড়িতে অবস্থানকারী ও মুসাফির, একা ও জামাতে নামাজ আদায়কারী সবার জন্য ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।

ফরজ নামাজের পর নিজের জায়গা থেকে না উঠে, কথা না বলে বা অজুর সাথে তাকবিরে তাশরিক পড়তে হয়। তাকবিরে তাশরিক পড়ার আগে  (ক) মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলে (খ) নামাজ ফাসেদ হয়ে যায় এমন কোনো কাজ করলে (গ) অজু নষ্ট হয়ে যায় এমন কিছু ঘটলে তাকবিরে তাশরিক পড়ার সময় আর বাকি থাকে না।

কেউ যদি নামাজের পরপর ওপরে উল্লিখিত কিছু ঘটার আগে তাকবিরে তাশরিক পড়তে ভুলে যায়, তাহলে পরে আর তা কাজা করার উপায় থাকে না। এ রকম ক্ষেত্রে ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার জন্য তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে।

তাকবিরে তাশরিক শুধু আইয়্যামে তাশরিকের (জিলহজের ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ তারিখ) দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর পড়তে হয়। এই দিনগুলোর বিতর বা অন্য কোনো সুন্নত কিংবা নফল নামাজের পর তা পড়ার বিধান নেই। তবে নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী ঈদের নামাজের পর পড়বে।

এ দিনগুলোতে আগের কোন নামাজ আদায় করলে বা এই দিনগুলোর কোনো নামাজ এ দিনগুলো অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর কাজা করলে ওই নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়ার নিয়ম নেই। তবে এই দিনগুলোর কোনো ফরজ নামাজ যথাসময়ে পড়তে না পেরে এই দিনগুলোর অন্য কোনো দিন কাজা করলে তখন তাকবির পড়তে হবে।

অর্থ ও উচ্চারণসহ তাকবিরে তাশরিক

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ: আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।

অর্থ: আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সব প্রশংসা মহান আল্লাহ জন্য।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow