‘তামাক নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘ইতোমধ্যে সব ধরনের তামাকপণ্যের ওপর দাম ও শুল্ক বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’ রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘প্রগতির জন্য জ্ঞান’ (প্রজ্ঞা) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের (আত্মা) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ, সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাশের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকমুক্ত প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ধন্যবাদপত্র তুলে দেয় সংগঠন দুটি।  সাক্ষাৎকালে ‘প্রজ্ঞা-আত্মা’র পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশোধিত আইনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান (ডিএসএ) বাতিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি নিষিদ্ধকরণ এবং ডিজিটালমাধ্যমে তামাক পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধের মতো পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে

‘তামাক নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘ইতোমধ্যে সব ধরনের তামাকপণ্যের ওপর দাম ও শুল্ক বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’

রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘প্রগতির জন্য জ্ঞান’ (প্রজ্ঞা) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের (আত্মা) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ, সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাশের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকমুক্ত প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ধন্যবাদপত্র তুলে দেয় সংগঠন দুটি। 

সাক্ষাৎকালে ‘প্রজ্ঞা-আত্মা’র পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশোধিত আইনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান (ডিএসএ) বাতিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি নিষিদ্ধকরণ এবং ডিজিটালমাধ্যমে তামাক পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধের মতো পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে ই-সিগারেট, ভেপিং, নিকোটিন পাউচ ও অন্যান্য নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান আইন থেকে বাদ দেওয়ায় তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়বে বলে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

প্রতিনিধিদল জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ দশমিক ৭৮ কোটি মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। তাই কার্যকর আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি ই-সিগারেট ও অন্যান্য নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণও জরুরি। একইসঙ্গে আসন্ন জাতীয় বাজেটে সব ধরনের তামাকপণ্যের কর ও দাম কার্যকরভাবে বাড়িয়ে তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জোরাল উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, আত্মার আহ্বায়ক মতুর্জা হায়দার লিটন, সহ-আহ্বায়ক নাদিরা কিরণ, আত্মার সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম ও আলতাফ হোসেন এবং প্রজ্ঞার পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow