তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা তারিকের আবেগঘন পোস্ট
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিন দশক পর নতুন একজন রাজনীতিবিদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেল বাংলাদেশ। বিএনপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের অগণিত রাত নির্ঘুম কেটেছে। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অনিশ্চিত জীবনের প্রহর গুনতে গুনতে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর দরবারে একটাই প্রার্থনা ছিল— আমাদের রক্ত, আমাদের ঘাম এমনকি আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও বাংলার পবিত্র মাটিতে অন্তত একবার যেন পদার্পণ করেন বাংলার লুথার কিং, রাজনীতির প্রমিথিউস, আপোসহীন সংগ্রামের দিকপাল, সংকটের দুর্দম নাবিক, গণতন্ত্রের নবযাত্রার অগ্রসেনানী, ১৮ কোটি মানুষের আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য নাম-বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।’ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরও লিখেন, তারেক রহমানকে একনজর সামনে থেকে দেখার সুপ্ত বাসনা অযুত দিন ধরে হৃদয়ের
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিন দশক পর নতুন একজন রাজনীতিবিদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেল বাংলাদেশ।
বিএনপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের অগণিত রাত নির্ঘুম কেটেছে। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অনিশ্চিত জীবনের প্রহর গুনতে গুনতে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর দরবারে একটাই প্রার্থনা ছিল— আমাদের রক্ত, আমাদের ঘাম এমনকি আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও বাংলার পবিত্র মাটিতে অন্তত একবার যেন পদার্পণ করেন বাংলার লুথার কিং, রাজনীতির প্রমিথিউস, আপোসহীন সংগ্রামের দিকপাল, সংকটের দুর্দম নাবিক, গণতন্ত্রের নবযাত্রার অগ্রসেনানী, ১৮ কোটি মানুষের আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য নাম-বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।’
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরও লিখেন, তারেক রহমানকে একনজর সামনে থেকে দেখার সুপ্ত বাসনা অযুত দিন ধরে হৃদয়ের গভীরে লালন করেছি। ইতিহাসের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ অবশেষে উপস্থিত হলো। প্রবাদপ্রতিম এই দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের সান্নিধ্যে থাকার বিরল সৌভাগ্য অর্জন করলাম। স্বপ্নের মতো তার পাশে দাঁড়ানো, হাতে হাত রাখা- সবই যেন বাস্তবের উজ্জ্বল প্রভাতে রূপ নিল। আমরা যারা জাতীয়তাবাদী আদর্শের আদর্শিক সন্তান, আমাদের কাছে এটি কেবল একটি মুহূর্ত নয়—এটি এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, এক অমৃতসম অর্জন, এক অনুপ্রেরণার দীপশিখা। তার সাহসী নেতৃত্ব, অবিচল মনোবল ও আপোসহীন সংগ্রামী চেতনা আমাদের পথচলার প্রেরণার উৎস হয়ে থাকুক চিরকাল। মহান আল্লাহ আমাদের আদর্শিক অভিভাবককে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুক...আমিন।’
তরিকুল ইসলাম তারিক তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি হাতে আঘাত পেয়েছিলাম। আঘাত প্রাপ্তির পর থেকেই বারংবারই খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন তিনি। এমনকি উনাকে যখন শেষ বাসায় বিদায় দিতে যায় তখনও তিনি খোঁজ নিয়েছিলেন এবং ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ ভাইকে ডেকে বলেছিলেন, আমান, তারেকের প্রোপার ট্রিটমেন্ট করাও। কর্মীর আঘাত যার হৃদয়কে এভাবে নাড়া দেয় সেইতো প্রকৃত নেতা। অনেক অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি আপনাকে শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় তারেক রহমান ভাইয়া।’
What's Your Reaction?