তালবিয়ার অর্থ ও উচ্চারণ
সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হজ আদায় করা ফরজ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, মানুষের ওপর আল্লাহর বিধান ওই ঘরের হজ করা, যার আছে সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য। (সুরা আলে ইমরান : ৯৭)
আর হজ ও ওমরাহর অন্যতম আমল তালবিয়া। ইহরাম পরিধান করে প্রথমবার তালবিয়া পড়া হজ-ওমরাহর শর্ত। এরপর পড়লে সেটি সুন্নত হবে।
তালবিয়া
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-এর তালবিয়া হলো, لَبَّيْكَ اَللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لا شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণ: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।
অর্থ: আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি, হে আল্লাহ! আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি। আমি আাপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি, আপনার কোন শরিক নেই, আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা, নেয়ামত এবং সাম্রাজ্য আপনারই। আপনার কোনো শরিক নেই। (বোখারি : ১৫৪৯, মুসলিম : ২৮১১)
তালবিয়া পড়ার ফজিলত
সহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কেউ যখন তালবিয়া পাঠ ক
সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হজ আদায় করা ফরজ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, মানুষের ওপর আল্লাহর বিধান ওই ঘরের হজ করা, যার আছে সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য। (সুরা আলে ইমরান : ৯৭)
আর হজ ও ওমরাহর অন্যতম আমল তালবিয়া। ইহরাম পরিধান করে প্রথমবার তালবিয়া পড়া হজ-ওমরাহর শর্ত। এরপর পড়লে সেটি সুন্নত হবে।
তালবিয়া
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-এর তালবিয়া হলো, لَبَّيْكَ اَللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لا شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণ: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।
অর্থ: আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি, হে আল্লাহ! আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি। আমি আাপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি, আপনার কোন শরিক নেই, আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা, নেয়ামত এবং সাম্রাজ্য আপনারই। আপনার কোনো শরিক নেই। (বোখারি : ১৫৪৯, মুসলিম : ২৮১১)
তালবিয়া পড়ার ফজিলত
সহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কেউ যখন তালবিয়া পাঠ করে তখন তার ডানে ও বামে পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সকল গাছপালা, মাটি-পাথর তালবিয়া পাঠ করতে থাকে।’ (তিরমিজি: ৮২৮, ইবনে মাজাহ: ২৯২১)
অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুমিন যখন ইহরামের হালতে দিন কাটাবে, তখন সূর্য তার সকল গোনা নিয়ে অস্ত যাবে। আর কোনো মুমিন যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্বের তালবিয়া পাঠ করবে, তখন তার ডানে-বামে পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সবকিছু তার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে।’ (তিরমিজি: ৮১০)
এ ছাড়া তবরানির এক হাদিসে বলা হয়েছে, ‘কেউ তালবিয়া পাঠ করলে তাকে সুসংবাদ দেওয়া হয়। এবং কেউ তাকবীর বললে তাকে সুসংবাদ দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! জান্নাতের সুসংবাদ?’ উত্তরে নবীজি (সা.) বললেন, ‘হাঁ’। (হাদিস ৭৭৭৯)