তিন দিনে মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০ কোটি টাকার অফার পেয়েছেন আমির হামজা

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামি বক্তা আমির হামজা বলেছেন, প্রায় সবমিলে শুধু মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০ কোটি টাকার অফার পেয়েছি এই তিনদিনে। তাও কেউ জানবে না, আল্লাহ বাদে। আমি বলেছি ৫০ কোটি কেন, ১০০ কোটি এমনকি কুষ্টিয়া লিখে দিলেও আমি আমার জায়গা থেকে একচুল নড়বো না। তিনি বলেন, ৫ বছর দায়িত্বে থাকলে ৫টা টাকা যেন না বাড়ে। সেভাবে আমি চলতে চাই। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আমির হামজা বলেন, আশপাশে আমার আত্মীয় পরিচয়ে হোক, দলীয় পরিচয়ে হোক, আর বিরোধী যারা আছে, কেউ যদি আমার নামে কিছু করতে চায়, আমি যদি জানতে পারি তার খবর করে ফেলবো। এজন্য এ কাজ কেউ ভুলেও করবেন না। জায়েজ বাদ দিয়ে নাজায়েজ কোনো পথে আমরা যেতে চাই না। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, সবাইকে নিয়ে। তিনি বলেন, সব অন্যায়, হারাম কাজ বাদ দিয়ে অন্তত বৈধ পথে চলতে থাকেন। একটা মানুষের চলতে খুব বেশিকিছু লাগে না। এই যে আপনারা যারা শ্রমিক অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যান, অনেক আহামরি কিছু লাগে না। সুতরাং যাদের আহামরি কিছু লাগে, তারা এ জেলা থেকে, এ আসন থেকে বের হয়ে অন্য কোনো জায়গায় করবেন। আম

তিন দিনে মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০ কোটি টাকার অফার পেয়েছেন আমির হামজা

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামি বক্তা আমির হামজা বলেছেন, প্রায় সবমিলে শুধু মেডিকেল কলেজের জন্য ৫০ কোটি টাকার অফার পেয়েছি এই তিনদিনে। তাও কেউ জানবে না, আল্লাহ বাদে। আমি বলেছি ৫০ কোটি কেন, ১০০ কোটি এমনকি কুষ্টিয়া লিখে দিলেও আমি আমার জায়গা থেকে একচুল নড়বো না।

তিনি বলেন, ৫ বছর দায়িত্বে থাকলে ৫টা টাকা যেন না বাড়ে। সেভাবে আমি চলতে চাই।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হামজা বলেন, আশপাশে আমার আত্মীয় পরিচয়ে হোক, দলীয় পরিচয়ে হোক, আর বিরোধী যারা আছে, কেউ যদি আমার নামে কিছু করতে চায়, আমি যদি জানতে পারি তার খবর করে ফেলবো। এজন্য এ কাজ কেউ ভুলেও করবেন না। জায়েজ বাদ দিয়ে নাজায়েজ কোনো পথে আমরা যেতে চাই না। আমরা এগিয়ে যেতে চাই, সবাইকে নিয়ে।

তিনি বলেন, সব অন্যায়, হারাম কাজ বাদ দিয়ে অন্তত বৈধ পথে চলতে থাকেন। একটা মানুষের চলতে খুব বেশিকিছু লাগে না। এই যে আপনারা যারা শ্রমিক অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যান, অনেক আহামরি কিছু লাগে না। সুতরাং যাদের আহামরি কিছু লাগে, তারা এ জেলা থেকে, এ আসন থেকে বের হয়ে অন্য কোনো জায়গায় করবেন। আমরা চেষ্টা চালাবো সঠিক থাকার।

সভায় কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আল-মামুন সাগর/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow