তিন সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ। অনশনরত ওই গৃহবধূ একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী। অভিযোগ রয়েছে, উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার (ওরফে খয়েজ) সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ওই গৃহবধূ ও ফয়েজ মিয়ার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন তার স্বামী সোহেল মিয়া। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে ওই গৃহবধূ তিন সন্তান ও সংসার রেখে সরাসরি ফয়েজের বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করে ফয়েজকে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন। এ বিষয়ে সোহেল মিয়া বলেন, ‘স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে আমাদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। শেষ পর্যন্ত সে সন্তানদের রেখে প্রেমিকের বাড়িতে চলে গেছে।’ প্রথমদিকে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে ওই গৃহবধূ ফয়েজ মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি এ ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে না দেওয়ার অনুরোধ জ

তিন সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামে তিন সন্তান ও সংসার রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক গৃহবধূ।

অনশনরত ওই গৃহবধূ একই ইউনিয়নের রাঙাউটি গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী। অভিযোগ রয়েছে, উত্তর কলাউড়া গ্রামের ফয়েজ মিয়ার (ওরফে খয়েজ) সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ওই গৃহবধূ ও ফয়েজ মিয়ার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন তার স্বামী সোহেল মিয়া। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে ওই গৃহবধূ তিন সন্তান ও সংসার রেখে সরাসরি ফয়েজের বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করে ফয়েজকে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন।

এ বিষয়ে সোহেল মিয়া বলেন, ‘স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে আমাদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। শেষ পর্যন্ত সে সন্তানদের রেখে প্রেমিকের বাড়িতে চলে গেছে।’

প্রথমদিকে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে ওই গৃহবধূ ফয়েজ মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি এ ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে না দেওয়ার অনুরোধ জানান।

অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মুরব্বিরা বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই গৃহবধূ প্রেমিকের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন এবং বিয়ের দাবিতে অনড় ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow