তিস্তার তীব্র ভাঙনে বিলীন ২৫ বসতবাড়ি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ইউনিয়নের রামহরি মৌজায় অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ ফসলি জমি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করায় স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে নদীর তীর রক্ষায় ব্যবহৃত জিও ব্যাগ ধসে পড়ছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ভাঙনকবলিত রামহরি ও চতুরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের বসতভিটা নদীতে হারিয়ে গেছে। ভাঙন থেকে বাঁচতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আরও তিনটি বাড়ি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিস্তার ভাঙন রোধে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০টি প্যাকেজের মাধ্যমে তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। কিন্তু ঠিকাদারদের অবহেলা এবং শুকনো মৌসুমে কাজ না করে বর্ষায় তাড়াহুড়ো করে জিও ব্যাগ ফেলায় সুফল মিলছে না। রামহরি গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা জাহেরুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতি ও ধীরগতির কাজের খেসারত দিতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। ডাম্পিংয়ের কাজ

তিস্তার তীব্র ভাঙনে বিলীন ২৫ বসতবাড়ি
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ইউনিয়নের রামহরি মৌজায় অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ ফসলি জমি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) থেকে তিস্তার পানি কমতে শুরু করায় স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে নদীর তীর রক্ষায় ব্যবহৃত জিও ব্যাগ ধসে পড়ছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ভাঙনকবলিত রামহরি ও চতুরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ইদ্রিস আলী, শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের বসতভিটা নদীতে হারিয়ে গেছে। ভাঙন থেকে বাঁচতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আরও তিনটি বাড়ি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিস্তার ভাঙন রোধে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০টি প্যাকেজের মাধ্যমে তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। কিন্তু ঠিকাদারদের অবহেলা এবং শুকনো মৌসুমে কাজ না করে বর্ষায় তাড়াহুড়ো করে জিও ব্যাগ ফেলায় সুফল মিলছে না। রামহরি গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা জাহেরুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতি ও ধীরগতির কাজের খেসারত দিতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। ডাম্পিংয়ের কাজ সঠিকভাবে না হওয়ায় স্রোতের তোড়ে সব ধসে যাচ্ছে। ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মজিদুল ইসলাম বলেন, দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদন করার জন্য পাউবো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান কালবেলাকে বলেন, নদীর পানি কমায় কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow